নখ সুন্দর করতে সবসময় গাঢ় রং, গ্লিটার বা জটিল নেল আর্টের প্রয়োজন হয় না। হালকা রঙের একটি পরিপাটি ম্যানিকিউরও পুরো সাজে এনে দিতে পারে পরিচ্ছন্ন ও মার্জিত ভাব। সেই কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে ফ্যাশনপ্রেমীদের মধ্যে নজর কেড়েছে মিল্কি ম্যানিকিউর।
দুধের মতো নরম সাদা, হালকা স্বচ্ছ এবং চকচকে এই নেল লুক একদিকে যেমন সাদামাটা, অন্যদিকে তেমনই পরিশীলিত। মিল্কি হোয়াইট ও সেমি-ট্রান্সপারেন্ট নেল
লুক ২০২৬ সালের নখসজ্জার ট্রেন্ডেও আলোচনায় রয়েছে।
মিল্কি ম্যানিকিউর কী
এই ম্যানিকিউরে নখে ঘন সাদা রং ব্যবহার করা হয় না। বরং পাতলা করে শিয়ার সাদা, অফ-হোয়াইট বা ক্রিমি শেড লাগানো হয়, যাতে নখের স্বাভাবিক রং কিছুটা দৃশ্যমান থাকে। ওপরে থাকে চকচকে ফিনিশ।
ফলে নখ একেবারে সাদা না দেখিয়ে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল মনে
হয়। সাধারণ সাদা নেলপলিশের তুলনায় এর রং অনেকটাই নরম এবং স্বচ্ছ।
কেন জনপ্রিয় হচ্ছে
মিল্কি ম্যানিকিউরের অন্যতম
সুবিধা হলো, এটি খুব বেশি নজরকাড়া না হয়েও হাতের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। অফিসের ফরমাল পোশাক থেকে শুরু করে ক্যাজুয়াল পোশাক বা পার্টির সাজ-বিভিন্ন ধরনের লুকের সঙ্গে এটি সহজেই মানিয়ে যায়।
মিনিমাল বা ‘ক্লিন গার্ল’ ধরনের সৌন্দর্যচর্চা যারা
পছন্দ করেন, তাদের জন্যও এই নেল লুক বেশ উপযোগী। ছোট নখে যেমন ভালো লাগে, তেমনি মাঝারি দৈর্ঘ্যের ওভাল বা অ্যালমন্ড শেপের নখেও এটি মানানসই।
চাইলে একেবারে সাধারণ মিল্কি লুকের ওপর সামান্য পার্ল শাইন, মাইক্রো ফ্রেঞ্চ টিপ বা ছোট কোনো নকশা যোগ করে আলাদা ধরনের সাজও তৈরি করা যায়।
বাড়িতেই করা সম্ভব
মিল্কি ম্যানিকিউরের জন্য
সবসময় পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। বাড়িতেই কয়েকটি সহজ ধাপে এটি করা যায়।
প্রথমে রিমুভার দিয়ে পুরোনো নেলপলিশ তুলে নিন। এরপর নেইল কাটার ও ফাইলার দিয়ে নখের প্রয়োজনীয় আকৃতি ঠিক করুন। আপনার হাতের সঙ্গে মানানসই ওভাল, স্কয়ার বা অ্যালমন্ড-যেকোনো শেপ বেছে নেওয়া যেতে পারে।
এরপর পাতলা করে একটি বেস কোট লাগান। শুকিয়ে গেলে মিল্কি হোয়াইট নেলপলিশের একটি হালকা কোট দিন। প্রয়োজন হলে প্রথম স্তর শুকানোর পর আরও একটি পাতলা কোট লাগানো যেতে পারে।
তবে এই ম্যানিকিউর করতে গিয়ে পলিশের স্তর খুব মোটা করা উচিত নয়। কারণ এর
মূল
সৌন্দর্যই
হলো
নখের
ওপর
হালকা
ও
স্বচ্ছ
আবরণ।
বেশি
পলিশ
ব্যবহার
করলে
সেই
স্বাভাবিক
ও
নরম
লুক
আর
থাকে
না।
মিল্কি
শেড না থাকলে
হাতে
নির্দিষ্ট
মিল্কি
হোয়াইট
নেলপলিশ
না
থাকলেও
কাছাকাছি
লুক
তৈরি
করা
সম্ভব।
এজন্য
অল্প
কয়েক
ফোঁটা
ক্লিয়ার
নেলপলিশের
সঙ্গে
খুব
সামান্য
সাদা
নেলপলিশ
মিশিয়ে পাতলা শেড
তৈরি
করা
যায়।
তবে
সাদা
নেলপলিশের
পরিমাণ
বেশি
দেওয়া
যাবে
না।
প্রথমে
একটি
নখে
ব্যবহার
করে
রং
ও
স্বচ্ছতা
পছন্দমতো
হয়েছে
কি
না
দেখে
নেওয়া
ভালো।
এরপর
সব
নখে
লাগিয়ে
শুকিয়ে
গেলে
ওপর
থেকে
গ্লসি
টপ
কোট
ব্যবহার
করুন।
ম্যানিকিউরের
আগে
ও
পরে
নখ
এবং
কিউটিকল
পরিষ্কার
ও
ময়েশ্চারাইজড
রাখলে
নখ
আরও
পরিপাটি
দেখাবে।
কোনো
পলিশ
ব্যবহারের
পর
জ্বালা,
চুলকানি
বা
অস্বস্তি
হলে
তা
ব্যবহার
বন্ধ
করাও
জরুরি।
কম
রং
আর
কম
আয়োজনের
মধ্যেই
যদি
নখে
মার্জিত
সৌন্দর্য
আনা
যায়,
তাহলে
মিল্কি
ম্যানিকিউর
হতে
পারে
তার
সহজ
একটি
উপায়।
বিশেষ
করে
যারা
স্বাভাবিক
ও
মিনিমাল
লুক
পছন্দ
করেন,
তাদের
জন্য
এই
নেল
ট্রেন্ড
বেশ
আকর্ষণীয়
হতে
পারে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নখ সুন্দর করতে সবসময় গাঢ় রং, গ্লিটার বা জটিল নেল আর্টের প্রয়োজন হয় না। হালকা রঙের একটি পরিপাটি ম্যানিকিউরও পুরো সাজে এনে দিতে পারে পরিচ্ছন্ন ও মার্জিত ভাব। সেই কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে ফ্যাশনপ্রেমীদের মধ্যে নজর কেড়েছে মিল্কি ম্যানিকিউর।
দুধের মতো নরম সাদা, হালকা স্বচ্ছ এবং চকচকে এই নেল লুক একদিকে যেমন সাদামাটা, অন্যদিকে তেমনই পরিশীলিত। মিল্কি হোয়াইট ও সেমি-ট্রান্সপারেন্ট নেল
লুক ২০২৬ সালের নখসজ্জার ট্রেন্ডেও আলোচনায় রয়েছে।
মিল্কি ম্যানিকিউর কী
এই ম্যানিকিউরে নখে ঘন সাদা রং ব্যবহার করা হয় না। বরং পাতলা করে শিয়ার সাদা, অফ-হোয়াইট বা ক্রিমি শেড লাগানো হয়, যাতে নখের স্বাভাবিক রং কিছুটা দৃশ্যমান থাকে। ওপরে থাকে চকচকে ফিনিশ।
ফলে নখ একেবারে সাদা না দেখিয়ে স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল মনে
হয়। সাধারণ সাদা নেলপলিশের তুলনায় এর রং অনেকটাই নরম এবং স্বচ্ছ।
কেন জনপ্রিয় হচ্ছে
মিল্কি ম্যানিকিউরের অন্যতম
সুবিধা হলো, এটি খুব বেশি নজরকাড়া না হয়েও হাতের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। অফিসের ফরমাল পোশাক থেকে শুরু করে ক্যাজুয়াল পোশাক বা পার্টির সাজ-বিভিন্ন ধরনের লুকের সঙ্গে এটি সহজেই মানিয়ে যায়।
মিনিমাল বা ‘ক্লিন গার্ল’ ধরনের সৌন্দর্যচর্চা যারা
পছন্দ করেন, তাদের জন্যও এই নেল লুক বেশ উপযোগী। ছোট নখে যেমন ভালো লাগে, তেমনি মাঝারি দৈর্ঘ্যের ওভাল বা অ্যালমন্ড শেপের নখেও এটি মানানসই।
চাইলে একেবারে সাধারণ মিল্কি লুকের ওপর সামান্য পার্ল শাইন, মাইক্রো ফ্রেঞ্চ টিপ বা ছোট কোনো নকশা যোগ করে আলাদা ধরনের সাজও তৈরি করা যায়।
বাড়িতেই করা সম্ভব
মিল্কি ম্যানিকিউরের জন্য
সবসময় পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। বাড়িতেই কয়েকটি সহজ ধাপে এটি করা যায়।
প্রথমে রিমুভার দিয়ে পুরোনো নেলপলিশ তুলে নিন। এরপর নেইল কাটার ও ফাইলার দিয়ে নখের প্রয়োজনীয় আকৃতি ঠিক করুন। আপনার হাতের সঙ্গে মানানসই ওভাল, স্কয়ার বা অ্যালমন্ড-যেকোনো শেপ বেছে নেওয়া যেতে পারে।
এরপর পাতলা করে একটি বেস কোট লাগান। শুকিয়ে গেলে মিল্কি হোয়াইট নেলপলিশের একটি হালকা কোট দিন। প্রয়োজন হলে প্রথম স্তর শুকানোর পর আরও একটি পাতলা কোট লাগানো যেতে পারে।
তবে এই ম্যানিকিউর করতে গিয়ে পলিশের স্তর খুব মোটা করা উচিত নয়। কারণ এর
মূল
সৌন্দর্যই
হলো
নখের
ওপর
হালকা
ও
স্বচ্ছ
আবরণ।
বেশি
পলিশ
ব্যবহার
করলে
সেই
স্বাভাবিক
ও
নরম
লুক
আর
থাকে
না।
মিল্কি
শেড না থাকলে
হাতে
নির্দিষ্ট
মিল্কি
হোয়াইট
নেলপলিশ
না
থাকলেও
কাছাকাছি
লুক
তৈরি
করা
সম্ভব।
এজন্য
অল্প
কয়েক
ফোঁটা
ক্লিয়ার
নেলপলিশের
সঙ্গে
খুব
সামান্য
সাদা
নেলপলিশ
মিশিয়ে পাতলা শেড
তৈরি
করা
যায়।
তবে
সাদা
নেলপলিশের
পরিমাণ
বেশি
দেওয়া
যাবে
না।
প্রথমে
একটি
নখে
ব্যবহার
করে
রং
ও
স্বচ্ছতা
পছন্দমতো
হয়েছে
কি
না
দেখে
নেওয়া
ভালো।
এরপর
সব
নখে
লাগিয়ে
শুকিয়ে
গেলে
ওপর
থেকে
গ্লসি
টপ
কোট
ব্যবহার
করুন।
ম্যানিকিউরের
আগে
ও
পরে
নখ
এবং
কিউটিকল
পরিষ্কার
ও
ময়েশ্চারাইজড
রাখলে
নখ
আরও
পরিপাটি
দেখাবে।
কোনো
পলিশ
ব্যবহারের
পর
জ্বালা,
চুলকানি
বা
অস্বস্তি
হলে
তা
ব্যবহার
বন্ধ
করাও
জরুরি।
কম
রং
আর
কম
আয়োজনের
মধ্যেই
যদি
নখে
মার্জিত
সৌন্দর্য
আনা
যায়,
তাহলে
মিল্কি
ম্যানিকিউর
হতে
পারে
তার
সহজ
একটি
উপায়।
বিশেষ
করে
যারা
স্বাভাবিক
ও
মিনিমাল
লুক
পছন্দ
করেন,
তাদের
জন্য
এই
নেল
ট্রেন্ড
বেশ
আকর্ষণীয়
হতে
পারে।

আপনার মতামত লিখুন