নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দনগর গ্রাম থেকে সুমন মিয়া (৩০) নামের এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে পূর্ব সৈয়দনগর গ্রামের শমসের ডাক্তারের বাড়ির পাশের একটি জলমগ্ন জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন মিয়া পুটিয়া ইউনিয়নের তেলিফিয়া গ্রামের ওবায়দুল হকের ছেলে। স্বজনেরা জানিয়েছেন, সুমনের আগে থেকেই মৃগীরোগ (খিঁচুনি) ছিল।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে পূর্ব সৈয়দনগর গ্রামের খোকা মিয়ার বাড়ির মালামাল বহনের কাজে রিকশা নিয়ে যান সুমন মিয়া। সেখানে যাওয়ার পর বাড়ির গবাদিপশুর জন্য পাশের জমি থেকে ঘাস কেটে দেওয়ার অনুরোধ জানালে তিনি প্লাস্টিকের বস্তা ও কাঁচি নিয়ে মাঠে যান। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরও ঘাস কেটে ফিরে না আসায় খোকা মিয়ার পরিবারের লোকজন তার খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে রাতে শমসের ডাক্তারের বাড়ির পাশে বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকা একটি নিচু জমিতে সুমনের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল-মামুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ঘাস কাটার সময় মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়ে পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল-মামুন জানান, বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত একটি জমিতে সুমন মিয়ার মরদেহ পাওয়া যায়। কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দনগর গ্রাম থেকে সুমন মিয়া (৩০) নামের এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে পূর্ব সৈয়দনগর গ্রামের শমসের ডাক্তারের বাড়ির পাশের একটি জলমগ্ন জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন মিয়া পুটিয়া ইউনিয়নের তেলিফিয়া গ্রামের ওবায়দুল হকের ছেলে। স্বজনেরা জানিয়েছেন, সুমনের আগে থেকেই মৃগীরোগ (খিঁচুনি) ছিল।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে পূর্ব সৈয়দনগর গ্রামের খোকা মিয়ার বাড়ির মালামাল বহনের কাজে রিকশা নিয়ে যান সুমন মিয়া। সেখানে যাওয়ার পর বাড়ির গবাদিপশুর জন্য পাশের জমি থেকে ঘাস কেটে দেওয়ার অনুরোধ জানালে তিনি প্লাস্টিকের বস্তা ও কাঁচি নিয়ে মাঠে যান। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরও ঘাস কেটে ফিরে না আসায় খোকা মিয়ার পরিবারের লোকজন তার খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
পরে রাতে শমসের ডাক্তারের বাড়ির পাশে বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকা একটি নিচু জমিতে সুমনের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল-মামুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ঘাস কাটার সময় মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়ে পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল-মামুন জানান, বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত একটি জমিতে সুমন মিয়ার মরদেহ পাওয়া যায়। কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন