রাজবাড়ীর কালুখালীতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে নজরুল ইসলাম খান (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গোলাপী বেগম নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত নজরুল ইসলাম উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পশায় একজন কৃষক।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে নজরুল ইসলাম খানকে বেধড়ক মারধর করা হয়।তার মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতের মেয়ে রুনা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গোলাপী বেগম নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরাজবারড়ী মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজবাড়ীর কালুখালীতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে নজরুল ইসলাম খান (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গোলাপী বেগম নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত নজরুল ইসলাম উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পশায় একজন কৃষক।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এক পর্যায়ে নজরুল ইসলাম খানকে বেধড়ক মারধর করা হয়।তার মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতের মেয়ে রুনা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গোলাপী বেগম নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরাজবারড়ী মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন