রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে বেঁধে রাখে। পরে ওষুধ, টিকা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কম্পিউটার ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করে ভারী যন্ত্র দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। মামলার এজাহারে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ১৯৭৪ সাল থেকে মিরপুরের নিম্ন আয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাতৃ ও শিশুসেবা দিয়ে আসছে। সেখানে শিশুদের টিকাদান, প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভকালীন ও প্রসবোত্তর সেবাসহ নানা চিকিৎসাসেবা দেওয়া হতো। এমন একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ধ্বংস করার অর্থ বহু মানুষের প্রয়োজনীয় সেবা ব্যাহত করা।
জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার পথ খোলা রয়েছে। রাতের আঁধারে দলবল নিয়ে হামলা, নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করা এবং স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
ঘটনার সময় পুলিশকে খবর দেওয়া হলেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি রক্ষা করা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি তদন্ত করা দরকার। পুলিশের ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে। উক্ত হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, কার নির্দেশে বা কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা সুষ্ঠু তদন্তে বের করে আনতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের কারণে কেউ যান ছাড় না পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
ধ্বংস হওয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি জনস্বার্থে পুনরায় চালু করতে হবে। সেখানে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে। জনস্বাস্থ্যসেবা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের দখলদারত্ব, পেশিশক্তি বা রাজনৈতিক প্রভাব যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে বেঁধে রাখে। পরে ওষুধ, টিকা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কম্পিউটার ও অন্যান্য সামগ্রী লুট করে ভারী যন্ত্র দিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। মামলার এজাহারে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ১৯৭৪ সাল থেকে মিরপুরের নিম্ন আয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাতৃ ও শিশুসেবা দিয়ে আসছে। সেখানে শিশুদের টিকাদান, প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভকালীন ও প্রসবোত্তর সেবাসহ নানা চিকিৎসাসেবা দেওয়া হতো। এমন একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ধ্বংস করার অর্থ বহু মানুষের প্রয়োজনীয় সেবা ব্যাহত করা।
জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার পথ খোলা রয়েছে। রাতের আঁধারে দলবল নিয়ে হামলা, নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করা এবং স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
ঘটনার সময় পুলিশকে খবর দেওয়া হলেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি রক্ষা করা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি তদন্ত করা দরকার। পুলিশের ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে। উক্ত হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, কার নির্দেশে বা কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা সুষ্ঠু তদন্তে বের করে আনতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের কারণে কেউ যান ছাড় না পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
ধ্বংস হওয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি জনস্বার্থে পুনরায় চালু করতে হবে। সেখানে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে। জনস্বাস্থ্যসেবা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের দখলদারত্ব, পেশিশক্তি বা রাজনৈতিক প্রভাব যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

আপনার মতামত লিখুন