রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের গোপন পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই অভিযান থেকে আটকদের মধ্যে বর্তমানে ২৭ জনকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এমনকি তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের টেলিফোনিক যোগাযোগ ও তথ্য উদ্ধারে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রবিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা স্পষ্ট করেন।
জাসদ কার্যালয়ে একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশ থেকে প্রায় আড়াই থেকে তিনশ নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়টি প্রচার হয়েছে। তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো অনুমতির বিষয় ছিল কি না, তা এই মুহূর্তে তার জানা নেই।
তিনি বলেন, যেকোনো রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের আলাপ-আলোচনা বা বৈঠক করতে আলাদা কোনো অনুমতির প্রয়োজন হয় না। দলীয় কার্যালয়ে তারা নিয়মিত বৈঠক করতেই পারেন।
তবে সাধারণ বৈঠকের বাইরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কঠোর গোয়েন্দা রিপোর্ট ছিল উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাসদ সভাপতি ইনুর ওই কার্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কিছু লোকজন জড়ো হয়েছিল। সেখানে তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর জন্য বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের গভীর পরিকল্পনা করছিল। সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই পুলিশ সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে এবং বেশ কিছু ব্যক্তিকে আটক করে।
প্রাথমিক পর্যায়ে আটক দেড় থেকে দুইশ নেতাকর্মীর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই শেষে নির্দোষ সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে মাত্র ২৭ জন আটক রয়েছেন। তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং টেলিফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা ও মামলা দায়ের করা হবে।
কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়নি বলেও দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের গোপন পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই অভিযান থেকে আটকদের মধ্যে বর্তমানে ২৭ জনকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এমনকি তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের টেলিফোনিক যোগাযোগ ও তথ্য উদ্ধারে ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রবিবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা স্পষ্ট করেন।
জাসদ কার্যালয়ে একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশ থেকে প্রায় আড়াই থেকে তিনশ নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবাদমাধ্যমে এই বিষয়টি প্রচার হয়েছে। তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো অনুমতির বিষয় ছিল কি না, তা এই মুহূর্তে তার জানা নেই।
তিনি বলেন, যেকোনো রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের আলাপ-আলোচনা বা বৈঠক করতে আলাদা কোনো অনুমতির প্রয়োজন হয় না। দলীয় কার্যালয়ে তারা নিয়মিত বৈঠক করতেই পারেন।
তবে সাধারণ বৈঠকের বাইরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে কঠোর গোয়েন্দা রিপোর্ট ছিল উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাসদ সভাপতি ইনুর ওই কার্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কিছু লোকজন জড়ো হয়েছিল। সেখানে তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর জন্য বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের গভীর পরিকল্পনা করছিল। সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই পুলিশ সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে এবং বেশ কিছু ব্যক্তিকে আটক করে।
প্রাথমিক পর্যায়ে আটক দেড় থেকে দুইশ নেতাকর্মীর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই শেষে নির্দোষ সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে মাত্র ২৭ জন আটক রয়েছেন। তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং টেলিফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা ও মামলা দায়ের করা হবে।
কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়নি বলেও দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন