পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনকে অপসারণসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন ওই অঞ্চলের নাগরিকেরা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লেখক ও শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা। বক্তব্যে বলা হয়, মীর হেলাল উদ্দিন পার্বত্য এলাকার বাসিন্দা নন এবং এই অঞ্চলের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিও নন। এমন একজনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করা ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির শর্তের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
বক্তারা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনকে তিন পার্বত্য জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকির বিশেষ দায়িত্ব দেওয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা বলেন, স্থানীয় প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই গত ১০ সেপ্টেম্বর ‘জাতীয় কমিটি’, ‘নির্বাহী কমিটি’ ও ‘পরামর্শক কমিটি’ নামে তিনটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিতে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সম্পৃক্ততা পার্বত্য অঞ্চলে নতুন করে অসন্তোষ ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত চার দফা দাবিগুলো হলো, মীর হেলাল উদ্দিনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অবিলম্বে অপসারণ করা। পার্বত্য চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এই অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা ও জন প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী নিয়োগ করা। তিন পার্বত্য জেলার তদারকির বিশেষ দায়িত্ব থেকে মীর হেলাল উদ্দিনকে অব্যাহতি দেওয়া। এবং একতরফাভাবে গঠিত তিনটি কমিটি বাতিল করা।
একই সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ ঘোষণা এবং চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কমিটি ও টাস্কফোর্স পুনর্গঠনের দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য অঞ্চলের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, আদিবাসী ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি নব কুমার চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহসভাপতি ভবতোষ চাকমা এবং ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষিত চাকমা।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনকে অপসারণসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন ওই অঞ্চলের নাগরিকেরা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লেখক ও শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা। বক্তব্যে বলা হয়, মীর হেলাল উদ্দিন পার্বত্য এলাকার বাসিন্দা নন এবং এই অঞ্চলের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিও নন। এমন একজনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করা ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির শর্তের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
বক্তারা প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিনকে তিন পার্বত্য জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকির বিশেষ দায়িত্ব দেওয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা বলেন, স্থানীয় প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই গত ১০ সেপ্টেম্বর ‘জাতীয় কমিটি’, ‘নির্বাহী কমিটি’ ও ‘পরামর্শক কমিটি’ নামে তিনটি নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিতে সামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সম্পৃক্ততা পার্বত্য অঞ্চলে নতুন করে অসন্তোষ ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত চার দফা দাবিগুলো হলো, মীর হেলাল উদ্দিনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে অবিলম্বে অপসারণ করা। পার্বত্য চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এই অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা ও জন প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী নিয়োগ করা। তিন পার্বত্য জেলার তদারকির বিশেষ দায়িত্ব থেকে মীর হেলাল উদ্দিনকে অব্যাহতি দেওয়া। এবং একতরফাভাবে গঠিত তিনটি কমিটি বাতিল করা।
একই সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ ঘোষণা এবং চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কমিটি ও টাস্কফোর্স পুনর্গঠনের দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য অঞ্চলের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, আদিবাসী ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি নব কুমার চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সহসভাপতি ভবতোষ চাকমা এবং ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষিত চাকমা।

আপনার মতামত লিখুন