ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই নেতার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া বিএনপির দুই নেতা হলেন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন এবং বাছাই শেষে ছয়জনেরই মনোনয়ন বৈধ পাওয়া গেছে। বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়াও অন্য যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, তারা হলেন: ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২১ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। এর আগে গত ২৪ জুলাই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ২২ আগস্ট ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর এই আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৮ অক্টোবর। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা চলবে ২৭ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত।
বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এই আসনে উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর ফরম জমা নেওয়া হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থী চূড়ান্ত করলেও শেষ দিনে (২৭ সেপ্টেম্বর) মির্জা ফয়সল আমিন ও ওবায়দুল্লাহ মাসুদ দুজনই দলের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সাধারণত একটি দল থেকে একজনই প্রার্থী থাকেন। তবে এখানে বিএনপির দুজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ে দুজনের তথ্যই সঠিক থাকায় তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, বিএনপি শেষ পর্যন্ত কাকে একক প্রার্থী হিসেবে রাখবে, তা প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগেই জানা যাবে। দলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা কমিশনে পাঠানো হলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই নেতার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়া বিএনপির দুই নেতা হলেন, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন এবং বাছাই শেষে ছয়জনেরই মনোনয়ন বৈধ পাওয়া গেছে। বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়াও অন্য যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে, তারা হলেন: ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২১ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। এর আগে গত ২৪ জুলাই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ২২ আগস্ট ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর এই আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৮ অক্টোবর। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন, যা চলবে ২৭ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত।
বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এই আসনে উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়। ১৬ সেপ্টেম্বর ফরম জমা নেওয়া হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর বিএনপির মনোনয়ন বোর্ড প্রার্থী চূড়ান্ত করলেও শেষ দিনে (২৭ সেপ্টেম্বর) মির্জা ফয়সল আমিন ও ওবায়দুল্লাহ মাসুদ দুজনই দলের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সাধারণত একটি দল থেকে একজনই প্রার্থী থাকেন। তবে এখানে বিএনপির দুজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। যাচাই-বাছাইয়ে দুজনের তথ্যই সঠিক থাকায় তাদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, বিএনপি শেষ পর্যন্ত কাকে একক প্রার্থী হিসেবে রাখবে, তা প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগেই জানা যাবে। দলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা কমিশনে পাঠানো হলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন