ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চলার কারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংঘাতের ফলে নির্দিষ্ট কিছু সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিলেও দ্রুত তা নজিরবিহীন মাত্রায় পূরণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আবার আক্রমণের মাত্রা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা যায়, মার্কিন সাময়িকী ‘টাইম ম্যাগাজিন’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট জানান, যুদ্ধের কারণে নির্দিষ্ট কিছু যুদ্ধাস্ত্র কমে গেছে। তবে দেশটির প্রতিরক্ষা কারখানাগুলো রাতদিন কাজ করছে এবং অস্ত্রের মজুত এমন একপর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
চলতি বছরের জুলাইয়ে মার্কিন পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের এক পর্যালোচনায় বলা হয়েছিল, ইরান যুদ্ধের কারণে প্যাট্রিয়ট এবং থাড আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং নতুন সরবরাহে জটিলতা তৈরি হয়েছে। সে সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রতিবেদনকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিলেও এবার নিজেই কিছু অস্ত্রের ঘাটতির কথা স্বীকার করলেন।
টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, দেশের সার্বিক সামরিক ব্যবস্থা এখনো ‘যথেষ্ট শক্তিশালী’ অবস্থায় রয়েছে। মাঝারি ও উচ্চ-মাত্রার ক্ষমতা সম্পন্ন গোলাবারুদের কোনো সংকট নেই। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির নতুন কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে।
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই সংঘাত নতুন মোড় নিতে পারে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি চালুর বিষয়ে ইয়েমেন বা ইরানের দেওয়া সাম্প্রতিক প্রস্তাবগুলো মোটেও পর্যাপ্ত নয়। ফলে আগামী নির্বাচনের পর তিনি ইরানে সামরিক পদক্ষেপ আরও জোরালো করতে পারেন।
এদিকে দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত ও মূল্যস্ফীতির কারণে ট্রাম্পের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় চরম ধস নেমেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-নরক (AP-NORC) প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের ওপর মার্কিনদের আস্থা নেমে এসেছে মাত্র ২৬ শতাংশে, যা তার মেয়াদের সর্বনিম্ন। তবে এসব জরিপকে ‘ভুয়া সংখ্যা’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, আগামী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জয়ে তিনি নিজে সশরীরে প্রচারণায় নামবেন।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চলার কারণে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোলাবারুদ ও অস্ত্রের মজুতে চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংঘাতের ফলে নির্দিষ্ট কিছু সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিলেও দ্রুত তা নজিরবিহীন মাত্রায় পূরণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আবার আক্রমণের মাত্রা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা যায়, মার্কিন সাময়িকী ‘টাইম ম্যাগাজিন’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট জানান, যুদ্ধের কারণে নির্দিষ্ট কিছু যুদ্ধাস্ত্র কমে গেছে। তবে দেশটির প্রতিরক্ষা কারখানাগুলো রাতদিন কাজ করছে এবং অস্ত্রের মজুত এমন একপর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
চলতি বছরের জুলাইয়ে মার্কিন পেন্টাগনের ইন্সপেক্টর জেনারেলের এক পর্যালোচনায় বলা হয়েছিল, ইরান যুদ্ধের কারণে প্যাট্রিয়ট এবং থাড আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত অর্ধেকে নেমে এসেছে এবং নতুন সরবরাহে জটিলতা তৈরি হয়েছে। সে সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রতিবেদনকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিলেও এবার নিজেই কিছু অস্ত্রের ঘাটতির কথা স্বীকার করলেন।
টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, দেশের সার্বিক সামরিক ব্যবস্থা এখনো ‘যথেষ্ট শক্তিশালী’ অবস্থায় রয়েছে। মাঝারি ও উচ্চ-মাত্রার ক্ষমতা সম্পন্ন গোলাবারুদের কোনো সংকট নেই। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির নতুন কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে।
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই সংঘাত নতুন মোড় নিতে পারে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি চালুর বিষয়ে ইয়েমেন বা ইরানের দেওয়া সাম্প্রতিক প্রস্তাবগুলো মোটেও পর্যাপ্ত নয়। ফলে আগামী নির্বাচনের পর তিনি ইরানে সামরিক পদক্ষেপ আরও জোরালো করতে পারেন।
এদিকে দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত ও মূল্যস্ফীতির কারণে ট্রাম্পের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় চরম ধস নেমেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-নরক (AP-NORC) প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের ওপর মার্কিনদের আস্থা নেমে এসেছে মাত্র ২৬ শতাংশে, যা তার মেয়াদের সর্বনিম্ন। তবে এসব জরিপকে ‘ভুয়া সংখ্যা’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, আগামী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জয়ে তিনি নিজে সশরীরে প্রচারণায় নামবেন।

আপনার মতামত লিখুন