রাশিয়ার সোচির সিরিয়াস ফেডারেল টেরিটরিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশবিষয়ক অলিম্পিয়াডে (আইওসিই ২০২৬) অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের হারিয়ে বাংলাদেশ চার সদস্যের দল নিয়ে অংশগ্রহণ করে একটি স্বর্ণ, দুটি ব্রোঞ্জ এবং একটি মেরিট সনদ নিজেদের করে নিয়েছে।
এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আবু মাহজূরাহ আয়মান অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে পূর্ণ ১০০ নম্বর অর্জন করেন এবং বিশ্বমঞ্চে প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদক লাভ করেন। দলের অন্য দুই প্রতিযোগী এস এম আনফাল হাবিব ও ফাবিহা নূরজীনা বাংলাদেশের জন্য ব্রোঞ্জপদক ছিনিয়ে আনেন। এছাড়া দলের চতুর্থ সদস্য ইস মাহ আরূশ তাঁর চমৎকার পারফরম্যান্সের জন্য মেরিট সনদ লাভ করেন।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে বাংলাদেশ অলিম্পিয়াড অন ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইস্যুজ (বিওসিই)-এর মাধ্যমে জাতীয় পর্যায় থেকে এই মেধাবী শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে সফলতার জন্য ঢাকায় বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে নিবিড় প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এই পুরো সময়ে জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবমুখী ব্যবহারিক কাজ এবং মাঠপর্যায়ের নানা গবেষণামূলক কার্যক্রমে অংশ নেয় বাংলাদেশ দল।
সোচির সিরিয়াস ফেডারেল টেরিটরিতে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপে পরিবেশগত সমস্যা বিশ্লেষণ, গবেষণাধর্মী কাজ এবং ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। কঠিন সব ধাপ পেরিয়ে বাংলাদেশি তরুণদের এই সাফল্য বিশ্বদরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।
বাংলাদেশ দলের বিশ্বজয়ে আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শিক্ষার্থীদের এমন অর্জন জলবায়ু ও পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে তাদের দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি এবং উচ্চমাত্রার দক্ষতারই সুস্পষ্ট প্রতিফলন।
বিশেষ করে শতভাগ নম্বর অর্জন করে বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করা আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
বিওসিইর আয়োজকেরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে নিরলস ভূমিকা রাখা শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, পরিবেশ ও জলবায়ুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বিষয়ে তরুণদের আগ্রহী করে তুলতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের এই ধারাবাহিক অংশগ্রহণ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
রাশিয়ার সোচির সিরিয়াস ফেডারেল টেরিটরিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশবিষয়ক অলিম্পিয়াডে (আইওসিই ২০২৬) অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের হারিয়ে বাংলাদেশ চার সদস্যের দল নিয়ে অংশগ্রহণ করে একটি স্বর্ণ, দুটি ব্রোঞ্জ এবং একটি মেরিট সনদ নিজেদের করে নিয়েছে।
এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আবু মাহজূরাহ আয়মান অসাধারণ দক্ষতা দেখিয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে পূর্ণ ১০০ নম্বর অর্জন করেন এবং বিশ্বমঞ্চে প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদক লাভ করেন। দলের অন্য দুই প্রতিযোগী এস এম আনফাল হাবিব ও ফাবিহা নূরজীনা বাংলাদেশের জন্য ব্রোঞ্জপদক ছিনিয়ে আনেন। এছাড়া দলের চতুর্থ সদস্য ইস মাহ আরূশ তাঁর চমৎকার পারফরম্যান্সের জন্য মেরিট সনদ লাভ করেন।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে বাংলাদেশ অলিম্পিয়াড অন ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইস্যুজ (বিওসিই)-এর মাধ্যমে জাতীয় পর্যায় থেকে এই মেধাবী শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হয়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে সফলতার জন্য ঢাকায় বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে নিবিড় প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এই পুরো সময়ে জলবায়ু ও পরিবেশবিষয়ক তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবমুখী ব্যবহারিক কাজ এবং মাঠপর্যায়ের নানা গবেষণামূলক কার্যক্রমে অংশ নেয় বাংলাদেশ দল।
সোচির সিরিয়াস ফেডারেল টেরিটরিতে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপে পরিবেশগত সমস্যা বিশ্লেষণ, গবেষণাধর্মী কাজ এবং ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। কঠিন সব ধাপ পেরিয়ে বাংলাদেশি তরুণদের এই সাফল্য বিশ্বদরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।
বাংলাদেশ দলের বিশ্বজয়ে আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শিক্ষার্থীদের এমন অর্জন জলবায়ু ও পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে তাদের দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি এবং উচ্চমাত্রার দক্ষতারই সুস্পষ্ট প্রতিফলন।
বিশেষ করে শতভাগ নম্বর অর্জন করে বিশ্ব তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করা আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
বিওসিইর আয়োজকেরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে নিরলস ভূমিকা রাখা শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, পরিবেশ ও জলবায়ুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বিষয়ে তরুণদের আগ্রহী করে তুলতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের এই ধারাবাহিক অংশগ্রহণ বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন