চট্টগ্রাম বন্দরে দুই দশকের বেশি সময় ধরে অলস পড়ে থাকা ১৫০ দশমিক ৮৯ মেট্রিক টন বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের অবশেষে গতি হচ্ছে। দীর্ঘ ২৩ বছর পর ৯টি কনটেইনারে থাকা এসব রাসায়নিক ধ্বংসের জন্য বিশেষ পুলিশ পাহারায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মুড়াপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে বিপজ্জনক এসব রাসায়নিক পরিবহনের কাজ শুরু হয়। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনীতে রাসায়নিকবাহী গাড়িগুলো নারায়ণগঞ্জের ‘ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড’-এর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০০৩ সাল থেকে বন্দরে পড়ে থাকা এসব মেয়াদউত্তীর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী রাসায়নিক পরিবেশবান্ধব এবং নির্দিষ্ট বিধিমোতাবেক ধ্বংস করা হবে। বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের সুপারিশ এবং কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে রূপগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের মাধ্যমে এই ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ আরও জানান, ৯টি কনটেইনারের মধ্যে ১টিতে ২৫ দশমিক ৫৫ মেট্রিক টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ১টিতে ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৫টিতে ৯২ দশমিক ৫৪ মেট্রিক টন মিথানল এবং ২টিতে ৩২ দশমিক ৩০ মেট্রিক টন থিনার রয়েছে।
বিপজ্জনক এসব রাসায়নিক নিরাপদে স্থানান্তরে বেশ কিছু সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং আনসার ব্যাটালিয়ন। বন্দর এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কনটেইনার জট কমাতেই দীর্ঘদিনের এই ঝুঁকিপূর্ণ স্তূপ সরানোর বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালে বন্দরের ‘পি শেডে’ পড়ে থাকা ২০ বছরের পুরোনো ২৫ টন বিপজ্জনক রাসায়নিক সিলেটের সুনামগঞ্জে অবস্থিত লাফার্জহোলসিম সিমেন্ট কারখানায় পাঠানো হয়েছিল। এ ছাড়া গত ২৪ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা বিভিন্ন মেয়াদউত্তীর্ণ ও নষ্ট পণ্যভর্তি ১২৬টি কনটেইনার ধ্বংস করে কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে দুই দশকের বেশি সময় ধরে অলস পড়ে থাকা ১৫০ দশমিক ৮৯ মেট্রিক টন বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের অবশেষে গতি হচ্ছে। দীর্ঘ ২৩ বছর পর ৯টি কনটেইনারে থাকা এসব রাসায়নিক ধ্বংসের জন্য বিশেষ পুলিশ পাহারায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মুড়াপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে বিপজ্জনক এসব রাসায়নিক পরিবহনের কাজ শুরু হয়। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনীতে রাসায়নিকবাহী গাড়িগুলো নারায়ণগঞ্জের ‘ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড’-এর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।
কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০০৩ সাল থেকে বন্দরে পড়ে থাকা এসব মেয়াদউত্তীর্ণ ও ব্যবহারের অনুপযোগী রাসায়নিক পরিবেশবান্ধব এবং নির্দিষ্ট বিধিমোতাবেক ধ্বংস করা হবে। বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের সুপারিশ এবং কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামের ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে রূপগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের মাধ্যমে এই ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ আরও জানান, ৯টি কনটেইনারের মধ্যে ১টিতে ২৫ দশমিক ৫৫ মেট্রিক টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ১টিতে ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৫টিতে ৯২ দশমিক ৫৪ মেট্রিক টন মিথানল এবং ২টিতে ৩২ দশমিক ৩০ মেট্রিক টন থিনার রয়েছে।
বিপজ্জনক এসব রাসায়নিক নিরাপদে স্থানান্তরে বেশ কিছু সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং আনসার ব্যাটালিয়ন। বন্দর এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কনটেইনার জট কমাতেই দীর্ঘদিনের এই ঝুঁকিপূর্ণ স্তূপ সরানোর বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালে বন্দরের ‘পি শেডে’ পড়ে থাকা ২০ বছরের পুরোনো ২৫ টন বিপজ্জনক রাসায়নিক সিলেটের সুনামগঞ্জে অবস্থিত লাফার্জহোলসিম সিমেন্ট কারখানায় পাঠানো হয়েছিল। এ ছাড়া গত ২৪ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা বিভিন্ন মেয়াদউত্তীর্ণ ও নষ্ট পণ্যভর্তি ১২৬টি কনটেইনার ধ্বংস করে কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন