মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম কঠোর অভিযান চলছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশজুড়ে ধারাবাহিক ১০ হাজার ৩৭৪টি সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ মোট ৩৭ হাজার ৩১৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ।
একই সময়ে সর্বমোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬০৩ জনের কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এসব বড়ো অভিযানে ঠিক কতজন বাংলাদেশি নাগরিক আটক হয়েছেন, তার সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত পরিসংখ্যান তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তায় মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুধু একা সাধারণ অভিবাসীদের টার্গেট করা হচ্ছে না; বরং যারা তাদের অবৈধভাবে কাজে নিয়োগ দিচ্ছে, গোপন আশ্রয় দিচ্ছে কিংবা দেশটিতে বেআইনিভাবে টিকে থাকার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও সমভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় ও কাজ দেওয়ার অপরাধে ১ হাজার ৮০৯ জন নিয়োগকর্তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৬৯২ জনই স্থানীয় মালয়েশিয়ান নাগরিক।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় অবৈধ অভিবাসীদের মদদদাতা স্থানীয় নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযਾਨ নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে যেখানে মাত্র ৩৪৬ জন নিয়োগকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, সেখানে ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা লাফিয়ে ১ হাজার ৮৫৯ জনে এবং ২০২৫ সালে তা বেড়ে ২ হাজার ২০২ জনে পৌঁছায়।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, এই কঠোর অবস্থান কোনো সাময়িক বা মৌসুমি অভিযান নয়; বরং দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার্থে অবৈধ অভিবাসনের পুরো সিন্ডিকেট ও চক্রটি চিরতরে ভেঙে দেওয়া পর্যন্ত এই চিরুনি অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
সবশেষে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটিতে কর্মরত ও যেতে ইচ্ছুক সকল বিদেশি নাগরিককে একমাত্র বৈধ উপায়ে দেশটিতে প্রবেশ করার এবং কঠোরভাবে দেশটির স্থানীয় অভিবাসন আইন মেনে চলার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে যারা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে অতিরিক্ত সময় অবৈধভাবে অবস্থান করছেন, তাদের বিরুদ্ধে চরম আইনি শাস্তির কঠোর হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেছেন তিনি।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম কঠোর অভিযান চলছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশজুড়ে ধারাবাহিক ১০ হাজার ৩৭৪টি সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশিসহ মোট ৩৭ হাজার ৩১৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ।
একই সময়ে সর্বমোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬০৩ জনের কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এসব বড়ো অভিযানে ঠিক কতজন বাংলাদেশি নাগরিক আটক হয়েছেন, তার সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত পরিসংখ্যান তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তায় মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে শুধু একা সাধারণ অভিবাসীদের টার্গেট করা হচ্ছে না; বরং যারা তাদের অবৈধভাবে কাজে নিয়োগ দিচ্ছে, গোপন আশ্রয় দিচ্ছে কিংবা দেশটিতে বেআইনিভাবে টিকে থাকার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও সমভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় ও কাজ দেওয়ার অপরাধে ১ হাজার ৮০৯ জন নিয়োগকর্তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৬৯২ জনই স্থানীয় মালয়েশিয়ান নাগরিক।
পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিগত বছরগুলোর তুলনায় অবৈধ অভিবাসীদের মদদদাতা স্থানীয় নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযਾਨ নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে যেখানে মাত্র ৩৪৬ জন নিয়োগকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, সেখানে ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা লাফিয়ে ১ হাজার ৮৫৯ জনে এবং ২০২৫ সালে তা বেড়ে ২ হাজার ২০২ জনে পৌঁছায়।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, এই কঠোর অবস্থান কোনো সাময়িক বা মৌসুমি অভিযান নয়; বরং দেশের সার্বিক সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার্থে অবৈধ অভিবাসনের পুরো সিন্ডিকেট ও চক্রটি চিরতরে ভেঙে দেওয়া পর্যন্ত এই চিরুনি অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
সবশেষে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটিতে কর্মরত ও যেতে ইচ্ছুক সকল বিদেশি নাগরিককে একমাত্র বৈধ উপায়ে দেশটিতে প্রবেশ করার এবং কঠোরভাবে দেশটির স্থানীয় অভিবাসন আইন মেনে চলার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে যারা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে অতিরিক্ত সময় অবৈধভাবে অবস্থান করছেন, তাদের বিরুদ্ধে চরম আইনি শাস্তির কঠোর হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন