সংবাদ

তরুণ বয়সেই ফ্যাটি লিভারের হানা! আপনি ও কি ঝুঁকিতে?


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম

তরুণ বয়সেই ফ্যাটি লিভারের হানা! আপনি ও কি ঝুঁকিতে?

একসময় হাই কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার কিংবা হৃদ্‌রোগকে মূলত বেশি বয়সের মানুষের সমস্যা মনে করা হতো। এখন কম বয়সীদের মধ্যেও এসব সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ২২-২৩ বছর বয়সেই লিভারে চর্বি জমা কিংবা ২৮ বছর বয়সে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা মেটাবলিক ডিজঅর্ডার নিয়ে নতুন করে ভাবার কারণ হয়ে উঠেছে।

মেটাবলিক ডিজঅর্ডার কোনো একটি নির্দিষ্ট রোগ নয়। এর সঙ্গে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সসহ খাবারের ধরন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, ঘুমের অনিয়ম, মানসিক চাপ এবং ওজন বাড়ার মতো বিষয় জড়িত।

খাবারের অভ্যাসে বড় পরিবর্তন

জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে তরুণদের খাবারের ধরনেও এসেছে পরিবর্তন। নিয়মিত বার্গার, বিরিয়ানি, কোমল পানীয়, ভাজা মুরগিসহ অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া খাবার অনেকের খাদ্যতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

চিনিযুক্ত পানীয় ও ট্রান্স ফ্যাটের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের ফলে শরীরে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এর প্রভাব লিভারেও পড়তে পারে এবং রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।

দীর্ঘ সময় বসে থাকাও বড় বিষয়

পর্দার সামনে দীর্ঘ সময় কাটানো তরুণদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। ক্লাস, ফ্রিল্যান্সিং, গেমিং কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কারণে কেউ কেউ প্রতিদিন ৭-৯ ঘণ্টা পর্যন্ত বসে থাকতে পারেন।

শারীরিক কার্যক্রম কমে গেলে পেশির সক্রিয়তা কমে যায় এবং শরীরের শক্তি খরচও কমে আসে। এর ফলে অতিরিক্ত চর্বি বিশেষ করে পেট ও লিভারে জমতে পারে।

ঘুমের অনিয়ম ও মানসিক চাপ

রাত জেগে থাকা এবং সকালে দেরিতে ওঠার মতো অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের সঙ্গে কর্টিসল নামের হরমোনের মাত্রা বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে।

এর ফলে রক্তে শর্করা ও ক্ষুধা বাড়ার পাশাপাশি ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

রোগা হলেও ঝুঁকি থাকতে পারে

শরীরের ওজন কম হলেই যে বিপাকীয়ভাবে সুস্থ থাকা যায়, এমন নয়। বাইরে থেকে রোগা দেখালেও কারও শরীরে অতিরিক্ত চর্বি থাকতে পারে। এ ধরনের অবস্থাকে অনেক সময় ‘স্কিনি ফ্যাট’ বলা হয়।

তাই শুধু ওজনের দিকে নজর না দিয়ে শরীরের সামগ্রিক বিপাকীয় স্বাস্থ্যের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

হাই কোলেস্টেরল ও ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি

হাই কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। অল্প বয়স থেকেই ধমনিতে চর্বি জমার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। দীর্ঘদিন তা চলতে থাকলে পরবর্তী সময়ে ধমনি ব্লক হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

হাই কোলেস্টেরলের ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হলো, অনেক সময় এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। ফলে গুরুতর হৃদ্‌রোগের সমস্যা দেখা দেওয়ার আগে অনেকেই নিজের ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে পারেন না।

ফ্যাটি লিভারও শুরুতে অনেকের ক্ষেত্রে নীরব থাকতে পারে। কারও কারও ক্লান্তি কিংবা পেটের ডান পাশে ভারী লাগার অনুভূতি হতে পারে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা ও জীবনযাপনে পরিবর্তন না এলে এটি আরও গুরুতর অবস্থার দিকে যেতে পারে, এমনকি লিভার সিরোসিসও হতে পারে।

একাধিক ঝুঁকি থাকলে সতর্কতা জরুরি

হাই কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার, ধূমপান বা ভেপিং এবং উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে থাকলে কম বয়সেও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই হৃদ্‌রোগকে শুধু বয়স্কদের সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

তরুণ বয়স থেকেই ঝুঁকির কারণগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা প্রয়োজন।

খাবারে কী পরিবর্তন আনা যায়

জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে মেটাবলিক ডিজঅর্ডারের অনেক ঝুঁকি কমানো সম্ভব। খাবারের ক্ষেত্রে-

  • চিনিযুক্ত পানীয় কমানো
  • অতিরিক্ত ভাজা খাবার এড়িয়ে চলা
  • সাদা রুটি বা ময়দাজাতীয় খাবার কমানো
  • লাল চাল ও শাকসবজির মতো আঁশযুক্ত খাবার রাখা
  • বাদাম, সামুদ্রিক মাছ ও শর্ষের তেলের মতো পরিমিত ভালো চর্বি গ্রহণ
  • ডিম, ডাল ও মুরগির মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা

শরীরচর্চায় জিম বাধ্যতামূলক নয়

শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার জন্য জিমে যেতেই হবে এমন নয়। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক পরিশ্রমের লক্ষ্য রাখা যেতে পারে।

প্রতিদিন ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সম্ভব হলে সিঁড়ি ব্যবহার করা এবং দীর্ঘ সময় বসে কাজের মধ্যে বিরতি নেওয়া যেতে পারে। ৪৫ মিনিট বসে থাকার পর কয়েক মিনিট উঠে হাঁটার অভ্যাসও উপকারী হতে পারে।

ঘুম ও মানসিক চাপেও নজর দিন

নিয়মিত সাত-আট ঘণ্টা ঘুম শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন কাছাকাছি সময়ে ঘুমানো ও জাগার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

এর পাশাপাশি ধূমপান ও ভেপিং এড়িয়ে চলা এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করাও গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

ঝুঁকি থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন। ২৫ বছর বয়সের পর শরীরের ওজন, কোমরের মাপ, রক্তচাপ, রক্তে চর্বির মাত্রা এবং লিভারের কার্যকারিতা নিয়মিত পরীক্ষা করা যেতে পারে।

পরিবারে ডায়াবেটিস বা হৃদ্‌রোগের ইতিহাস থাকলে আরও আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কোনো পরীক্ষা বা ওষুধ নিজে থেকে শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

তরুণ বয়স কেবল ক্যারিয়ার গড়ার সময় নয়, ভবিষ্যতের সুস্বাস্থ্যের ভিত্তি তৈরিরও সময়। প্রতিদিনের খাবার, ঘুম, শারীরিক কার্যক্রম ও জীবনযাপনের ছোট ছোট সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মেটাবলিক সমস্যার ঝুঁকি কমাতে তাই অভ্যাসের পরিবর্তনই হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


তরুণ বয়সেই ফ্যাটি লিভারের হানা! আপনি ও কি ঝুঁকিতে?

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

একসময় হাই কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার কিংবা হৃদ্‌রোগকে মূলত বেশি বয়সের মানুষের সমস্যা মনে করা হতো। এখন কম বয়সীদের মধ্যেও এসব সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ২২-২৩ বছর বয়সেই লিভারে চর্বি জমা কিংবা ২৮ বছর বয়সে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা মেটাবলিক ডিজঅর্ডার নিয়ে নতুন করে ভাবার কারণ হয়ে উঠেছে।

মেটাবলিক ডিজঅর্ডার কোনো একটি নির্দিষ্ট রোগ নয়। এর সঙ্গে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সসহ খাবারের ধরন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, ঘুমের অনিয়ম, মানসিক চাপ এবং ওজন বাড়ার মতো বিষয় জড়িত।

খাবারের অভ্যাসে বড় পরিবর্তন

জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে তরুণদের খাবারের ধরনেও এসেছে পরিবর্তন। নিয়মিত বার্গার, বিরিয়ানি, কোমল পানীয়, ভাজা মুরগিসহ অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া খাবার অনেকের খাদ্যতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

চিনিযুক্ত পানীয় ও ট্রান্স ফ্যাটের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের ফলে শরীরে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়তে পারে। এর প্রভাব লিভারেও পড়তে পারে এবং রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।

দীর্ঘ সময় বসে থাকাও বড় বিষয়

পর্দার সামনে দীর্ঘ সময় কাটানো তরুণদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। ক্লাস, ফ্রিল্যান্সিং, গেমিং কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কারণে কেউ কেউ প্রতিদিন ৭-৯ ঘণ্টা পর্যন্ত বসে থাকতে পারেন।

শারীরিক কার্যক্রম কমে গেলে পেশির সক্রিয়তা কমে যায় এবং শরীরের শক্তি খরচও কমে আসে। এর ফলে অতিরিক্ত চর্বি বিশেষ করে পেট ও লিভারে জমতে পারে।

ঘুমের অনিয়ম ও মানসিক চাপ

রাত জেগে থাকা এবং সকালে দেরিতে ওঠার মতো অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক ছন্দে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের সঙ্গে কর্টিসল নামের হরমোনের মাত্রা বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে।

এর ফলে রক্তে শর্করা ও ক্ষুধা বাড়ার পাশাপাশি ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

রোগা হলেও ঝুঁকি থাকতে পারে

শরীরের ওজন কম হলেই যে বিপাকীয়ভাবে সুস্থ থাকা যায়, এমন নয়। বাইরে থেকে রোগা দেখালেও কারও শরীরে অতিরিক্ত চর্বি থাকতে পারে। এ ধরনের অবস্থাকে অনেক সময় ‘স্কিনি ফ্যাট’ বলা হয়।

তাই শুধু ওজনের দিকে নজর না দিয়ে শরীরের সামগ্রিক বিপাকীয় স্বাস্থ্যের দিকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

হাই কোলেস্টেরল ও ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি

হাই কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। অল্প বয়স থেকেই ধমনিতে চর্বি জমার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। দীর্ঘদিন তা চলতে থাকলে পরবর্তী সময়ে ধমনি ব্লক হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

হাই কোলেস্টেরলের ক্ষেত্রে বড় সমস্যা হলো, অনেক সময় এর কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। ফলে গুরুতর হৃদ্‌রোগের সমস্যা দেখা দেওয়ার আগে অনেকেই নিজের ঝুঁকি সম্পর্কে জানতে পারেন না।

ফ্যাটি লিভারও শুরুতে অনেকের ক্ষেত্রে নীরব থাকতে পারে। কারও কারও ক্লান্তি কিংবা পেটের ডান পাশে ভারী লাগার অনুভূতি হতে পারে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা ও জীবনযাপনে পরিবর্তন না এলে এটি আরও গুরুতর অবস্থার দিকে যেতে পারে, এমনকি লিভার সিরোসিসও হতে পারে।

একাধিক ঝুঁকি থাকলে সতর্কতা জরুরি

হাই কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার, ধূমপান বা ভেপিং এবং উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে থাকলে কম বয়সেও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই হৃদ্‌রোগকে শুধু বয়স্কদের সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

তরুণ বয়স থেকেই ঝুঁকির কারণগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা প্রয়োজন।

খাবারে কী পরিবর্তন আনা যায়

জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে মেটাবলিক ডিজঅর্ডারের অনেক ঝুঁকি কমানো সম্ভব। খাবারের ক্ষেত্রে-

  • চিনিযুক্ত পানীয় কমানো
  • অতিরিক্ত ভাজা খাবার এড়িয়ে চলা
  • সাদা রুটি বা ময়দাজাতীয় খাবার কমানো
  • লাল চাল ও শাকসবজির মতো আঁশযুক্ত খাবার রাখা
  • বাদাম, সামুদ্রিক মাছ ও শর্ষের তেলের মতো পরিমিত ভালো চর্বি গ্রহণ
  • ডিম, ডাল ও মুরগির মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা

শরীরচর্চায় জিম বাধ্যতামূলক নয়

শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার জন্য জিমে যেতেই হবে এমন নয়। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক পরিশ্রমের লক্ষ্য রাখা যেতে পারে।

প্রতিদিন ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সম্ভব হলে সিঁড়ি ব্যবহার করা এবং দীর্ঘ সময় বসে কাজের মধ্যে বিরতি নেওয়া যেতে পারে। ৪৫ মিনিট বসে থাকার পর কয়েক মিনিট উঠে হাঁটার অভ্যাসও উপকারী হতে পারে।

ঘুম ও মানসিক চাপেও নজর দিন

নিয়মিত সাত-আট ঘণ্টা ঘুম শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন কাছাকাছি সময়ে ঘুমানো ও জাগার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

এর পাশাপাশি ধূমপান ও ভেপিং এড়িয়ে চলা এবং দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করাও গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

ঝুঁকি থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন। ২৫ বছর বয়সের পর শরীরের ওজন, কোমরের মাপ, রক্তচাপ, রক্তে চর্বির মাত্রা এবং লিভারের কার্যকারিতা নিয়মিত পরীক্ষা করা যেতে পারে।

পরিবারে ডায়াবেটিস বা হৃদ্‌রোগের ইতিহাস থাকলে আরও আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কোনো পরীক্ষা বা ওষুধ নিজে থেকে শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

তরুণ বয়স কেবল ক্যারিয়ার গড়ার সময় নয়, ভবিষ্যতের সুস্বাস্থ্যের ভিত্তি তৈরিরও সময়। প্রতিদিনের খাবার, ঘুম, শারীরিক কার্যক্রম ও জীবনযাপনের ছোট ছোট সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। মেটাবলিক সমস্যার ঝুঁকি কমাতে তাই অভ্যাসের পরিবর্তনই হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত