বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার অনুসারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। ভারতীয় প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য হিন্দু-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
রাজধানী ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর এক ফাঁকে সংবাদমাধ্যমটিকে সাক্ষাৎকার দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তনে গঠিত নতুন সরকারের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো ভারতের অনুধাবন করা জরুরি। ভারতে অবস্থানরত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নির্বাসিত নেতাদের সাম্প্রতিক তৎপরতা দুটি দেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক নয় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশ তার নিজ ভূখণ্ডকে ভারতের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল তৎপরতায় ব্যবহৃত হতে দেয় না। ভারতের কাছ থেকেও একই রূপ দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ কেন্দ্রিক নানা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন উল্লেখ করে তিনি ভারত সরকারকে তাদের সংযত রাখার আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দমনে প্রায় দুই হাজার মানুষকে হত্যার জন্য শেখ হাসিনাকে প্রধান দায়ী হিসেবে মনে করে বাংলাদেশ। দেশটির জনগণ গত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে চায়।
তবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ভারত ইতোমধ্যে তাদের বিষয়ে কিছুটা সংযত অবস্থান নিতে শুরু করেছে, যা একটি ভালো লক্ষণ। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারও এতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন। সাবেক সরকারের নেতাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হলে বাংলাদেশ সরকার দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা ও ফলপ্রসূ কূটনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।
/

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার অনুসারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। ভারতীয় প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য হিন্দু-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
রাজধানী ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর এক ফাঁকে সংবাদমাধ্যমটিকে সাক্ষাৎকার দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ক্ষমতার পরিবর্তনে গঠিত নতুন সরকারের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো ভারতের অনুধাবন করা জরুরি। ভারতে অবস্থানরত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নির্বাসিত নেতাদের সাম্প্রতিক তৎপরতা দুটি দেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক নয় বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, বাংলাদেশ তার নিজ ভূখণ্ডকে ভারতের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল তৎপরতায় ব্যবহৃত হতে দেয় না। ভারতের কাছ থেকেও একই রূপ দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ কেন্দ্রিক নানা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন উল্লেখ করে তিনি ভারত সরকারকে তাদের সংযত রাখার আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দমনে প্রায় দুই হাজার মানুষকে হত্যার জন্য শেখ হাসিনাকে প্রধান দায়ী হিসেবে মনে করে বাংলাদেশ। দেশটির জনগণ গত ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে চায়।
তবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ভারত ইতোমধ্যে তাদের বিষয়ে কিছুটা সংযত অবস্থান নিতে শুরু করেছে, যা একটি ভালো লক্ষণ। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারও এতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন। সাবেক সরকারের নেতাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হলে বাংলাদেশ সরকার দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা ও ফলপ্রসূ কূটনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।
/

আপনার মতামত লিখুন