একসময় লম্বা বাঁশ নামিয়েও যেখানে মাটির তল মিলত না, সেই গভীর ‘গোসাইয়ের দহ’ এখন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের করতোয়া নদীর উত্তর-পশ্চিম বাঁকে অবস্থিত এই দহটি ছিল রুই, কাতলা, বোয়াল, আইড় ও চিতলসহ নানা দেশি মাছের গুরুত্বপূর্ণ প্রজননস্থল। এটি একই সঙ্গে স্থানীয় জেলেদের জীবিকার প্রধান উৎস এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের স্থান ছিল।
স্থানীয়দের মতে, প্রায় ২৫ বছর আগে দহের মাঝবরাবর সড়ক বাঁধ নির্মাণ, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, পলি জমা, অবৈধ দখল ও ভরাটের কারণে এটি সংকুচিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে দহের বড় অংশই কচুরিপানায় ঢাকা। ফলে হারিয়ে গেছে পানির সেই গভীরতা, মাছের বংশবৃদ্ধি এবং জেলেদের ব্যস্ততা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, করতোয়া নদীর পুরোনো গতিপথ ধরে খনন করে দহটি পুনরায় সচল করার প্রাথমিক পরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
একসময় লম্বা বাঁশ নামিয়েও যেখানে মাটির তল মিলত না, সেই গভীর ‘গোসাইয়ের দহ’ এখন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। বগুড়ার শেরপুর পৌর শহরের করতোয়া নদীর উত্তর-পশ্চিম বাঁকে অবস্থিত এই দহটি ছিল রুই, কাতলা, বোয়াল, আইড় ও চিতলসহ নানা দেশি মাছের গুরুত্বপূর্ণ প্রজননস্থল। এটি একই সঙ্গে স্থানীয় জেলেদের জীবিকার প্রধান উৎস এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের স্থান ছিল।
স্থানীয়দের মতে, প্রায় ২৫ বছর আগে দহের মাঝবরাবর সড়ক বাঁধ নির্মাণ, নদীর গতিপথ পরিবর্তন, পলি জমা, অবৈধ দখল ও ভরাটের কারণে এটি সংকুচিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে দহের বড় অংশই কচুরিপানায় ঢাকা। ফলে হারিয়ে গেছে পানির সেই গভীরতা, মাছের বংশবৃদ্ধি এবং জেলেদের ব্যস্ততা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, করতোয়া নদীর পুরোনো গতিপথ ধরে খনন করে দহটি পুনরায় সচল করার প্রাথমিক পরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন