পাবনার সুজানগর উপজেলার আমিনপুরে নিখোঁজের এক দিন পর সুপ্রভাত মোদক (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ীর আগুনে ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সুপ্রভাত কাশীনাথপুর বাজারে একটি হোটেলের ব্যবসা করতেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল আটটার দিকে উপজেলার আহম্মদপুর ইউনিয়নের আহম্মদপুর মিস্ত্রিপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পেছনের একটি হলুদ খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের সত্যচরণ মোদকের ছেলে।
আমিনপুর থানা-পুলিশ ও নিহত ব্যক্তির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৫ অক্টোবর) নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই ছিলেন সুপ্রভাত। বিকেলে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় এক চিকিৎসককে দেখান। চিকিৎসা শেষে স্ত্রীকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে তিনি পরে ফিরবেন বলে জানান। তবে এরপর তিনি আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বা বাড়ি–কোথাও ফিরে আসেননি। রাত হয়ে গেলেও তিনি না ফেরায় স্বজনেরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধান না পেয়ে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে আমিনপুর থানায় মৌখিকভাবে বিষয়টি জানায় পরিবার।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালায় পুলিশ। রাত ১২টার দিকে তার মোবাইল সচল পাওয়া গেলেও বারবার কল করা হলেও কেউ রিসিভ করেননি। পরে ওই নম্বর থেকে ফেরত কল আসলেও অবস্থান নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বাড়ির পাশের হলুদ খেতের ভেতরে সুপ্রভাত মোদকের শরীরে আগুন ধরানো ঝলসানো মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে আমিনপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে এলাহী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড–এ বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত। তবে তাকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনোভাবে হত্যার পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, নাকি জীবন্ত অবস্থায় আগুনে ঝলসানো হয়েছে, তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে পরিষ্কার হবে।
ওসি আরও বলেন, কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার সুজানগর উপজেলার আমিনপুরে নিখোঁজের এক দিন পর সুপ্রভাত মোদক (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ীর আগুনে ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সুপ্রভাত কাশীনাথপুর বাজারে একটি হোটেলের ব্যবসা করতেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল আটটার দিকে উপজেলার আহম্মদপুর ইউনিয়নের আহম্মদপুর মিস্ত্রিপাড়া গ্রামে নিজ বাড়ির পেছনের একটি হলুদ খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের সত্যচরণ মোদকের ছেলে।
আমিনপুর থানা-পুলিশ ও নিহত ব্যক্তির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৫ অক্টোবর) নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই ছিলেন সুপ্রভাত। বিকেলে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় এক চিকিৎসককে দেখান। চিকিৎসা শেষে স্ত্রীকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে তিনি পরে ফিরবেন বলে জানান। তবে এরপর তিনি আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বা বাড়ি–কোথাও ফিরে আসেননি। রাত হয়ে গেলেও তিনি না ফেরায় স্বজনেরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধান না পেয়ে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে আমিনপুর থানায় মৌখিকভাবে বিষয়টি জানায় পরিবার।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মুঠোফোনের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালায় পুলিশ। রাত ১২টার দিকে তার মোবাইল সচল পাওয়া গেলেও বারবার কল করা হলেও কেউ রিসিভ করেননি। পরে ওই নম্বর থেকে ফেরত কল আসলেও অবস্থান নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বাড়ির পাশের হলুদ খেতের ভেতরে সুপ্রভাত মোদকের শরীরে আগুন ধরানো ঝলসানো মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে আমিনপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে এলাহী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড–এ বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত। তবে তাকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনোভাবে হত্যার পর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, নাকি জীবন্ত অবস্থায় আগুনে ঝলসানো হয়েছে, তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে পরিষ্কার হবে।
ওসি আরও বলেন, কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন