সংবাদ

এলপিজির দাম বৃদ্ধিতে যুব ফেডারেশনের প্রতিবাদ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

এলপিজির দাম বৃদ্ধিতে যুব ফেডারেশনের প্রতিবাদ

​নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সংসার চালানোর অসহনীয় চাপের মধ্যে বেসরকারি খাতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন।

সংগঠনটির নেতারা বিইআরসির এই সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের ওপর চরম অন্যায্য ও বাড়তি ব্যয়ের বোঝা হিসেবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে বর্ধিত দাম পুনর্বিবেচনা ও কমানোর জোর দাবি জানিয়েছেন।
​আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর হাতিরপুলস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ও সদস্য সচিব জাহিদ সুজন যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ঘোষিত অক্টোবর মাসের মূল্য তালিকা উল্লেখ করে যুব ফেডারেশনের নেতারা বলেন, "অক্টোবর মাসের মূল্য নির্ধারণ অনুযায়ী, ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়। অর্থাৎ, এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ১৫.৯ শতাংশ। প্রতি কেজি এলপিজির নির্ধারিত দামও ১৩২.০৮ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৩.০৬ টাকা হয়েছে।"
​জ্বালানি খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, "আমরা মনে করি, জ্বালানির মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনা করা প্রয়োজন, অন্যদিকে সেই বিবেচনার পাশাপাশি দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা, প্রকৃত আয়, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির দায় একতরফাভাবে সাধারণ মানুষের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আয় না বাড়িয়ে, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত না করে, একের পর এক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে থাকতে হবে মানুষের জীবন, মর্যাদা ও বেঁচে থাকার অধিকার।"
​রান্নার গ্যাসকে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক অপরিহার্য উপাদান উল্লেখ করে যুব ফেডারেশনের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব যৌথভাবে বলেন, "রান্নার গ্যাস কোনো বিলাসদ্রব্য নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপকরণ। নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে অতিরিক্ত ২৫২ টাকা কেবল একটি বাড়তি খরচ নয়; এই অর্থ দিয়ে পরিবারের কয়েক দিনের শাকসবজি, ডিম কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাবার কেনা সম্ভব। দিনমজুর, শ্রমজীবী মানুষ, স্বল্প আয়ের চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং নির্দিষ্ট আয়ের পরিবারগুলোর জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি সংসারের হিসাব আরও কঠিন করে তুলবে।"
​গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে সার্বিক বাজার ব্যবস্থায় সৃষ্ট পরোক্ষ বহুমুখী নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে নেতৃবৃন্দ যোগ করেন, "এলপিজির দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। হোটেল-রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র খাবারের দোকান এবং অন্যান্য এলপিজিনির্ভর ব্যবসার পরিচালন ব্যয়ও বাড়বে। ফলে খাবারসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দাম বাড়বে। অর্থাৎ, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।"
​খুচরা বাজারে বিইআরসির দুর্বল তদারকি ও কৃত্রিম সংকটের সুযোগে অসাধু চক্রের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চিত্র তুলে ধরে নেতারা ক্ষোভের সাথে বলেন, "বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হয়। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে গ্রাহক পর্যায়ে এই বাড়তি দাম নেয়া হয়। ফলে একদিকে ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি, অন্যদিকে বাজারে অতিরিক্ত দাম আদায়ের প্রবণতা, এই দুইয়ের চাপে পড়ছেন সাধারণ ভোক্তারা। মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বাজারে কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।"
​রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের শীর্ষ নেতারা জোরালো বার্তা দেন, "জনগণের দুর্ভোগকে কেবল পরিসংখ্যান দিয়ে বিবেচনা না করে বাস্তব জীবনের সংকট উপলব্ধি করুন। একটি পরিবারের রান্নাঘরের ব্যয়ও রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতির গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিত। জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব; মানুষের কাঁধে একের পর এক ব্যয়ের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। আমরা সাধারণ মানুষের স্বার্থে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ এবং জ্বালানি খাতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাচ্ছি।"
​পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা সুনির্দিষ্ট দাবি উপস্থাপন করা হয়। তাদের দাবিগুলো হলো: সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় রেখে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা, এলপিজির আমদানি ব্যয়, আন্তর্জাতিক বাজারদর, পরিবহন খরচ ও কোম্পানির মুনাফাসহ পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা, বিইআরসি নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি পরিচালনা করা ও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম আদায়কারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া, কোনো অসাধু চক্র যাতে ভোক্তাদের জিম্মি করতে না পারে সেজন্য সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি নিশ্চিত করতে কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা ও সহায়তামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


এলপিজির দাম বৃদ্ধিতে যুব ফেডারেশনের প্রতিবাদ

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

​নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সংসার চালানোর অসহনীয় চাপের মধ্যে বেসরকারি খাতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন।

সংগঠনটির নেতারা বিইআরসির এই সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের ওপর চরম অন্যায্য ও বাড়তি ব্যয়ের বোঝা হিসেবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে বর্ধিত দাম পুনর্বিবেচনা ও কমানোর জোর দাবি জানিয়েছেন।
​আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর হাতিরপুলস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ও সদস্য সচিব জাহিদ সুজন যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) ঘোষিত অক্টোবর মাসের মূল্য তালিকা উল্লেখ করে যুব ফেডারেশনের নেতারা বলেন, "অক্টোবর মাসের মূল্য নির্ধারণ অনুযায়ী, ১২ কেজি বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা করা হয়। অর্থাৎ, এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ১৫.৯ শতাংশ। প্রতি কেজি এলপিজির নির্ধারিত দামও ১৩২.০৮ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৩.০৬ টাকা হয়েছে।"
​জ্বালানি খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, "আমরা মনে করি, জ্বালানির মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনা করা প্রয়োজন, অন্যদিকে সেই বিবেচনার পাশাপাশি দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা, প্রকৃত আয়, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির দায় একতরফাভাবে সাধারণ মানুষের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আয় না বাড়িয়ে, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত না করে, একের পর এক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে থাকলে সাধারণ মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে থাকতে হবে মানুষের জীবন, মর্যাদা ও বেঁচে থাকার অধিকার।"
​রান্নার গ্যাসকে দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক অপরিহার্য উপাদান উল্লেখ করে যুব ফেডারেশনের আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব যৌথভাবে বলেন, "রান্নার গ্যাস কোনো বিলাসদ্রব্য নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য উপকরণ। নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে অতিরিক্ত ২৫২ টাকা কেবল একটি বাড়তি খরচ নয়; এই অর্থ দিয়ে পরিবারের কয়েক দিনের শাকসবজি, ডিম কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাবার কেনা সম্ভব। দিনমজুর, শ্রমজীবী মানুষ, স্বল্প আয়ের চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং নির্দিষ্ট আয়ের পরিবারগুলোর জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি সংসারের হিসাব আরও কঠিন করে তুলবে।"
​গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে সার্বিক বাজার ব্যবস্থায় সৃষ্ট পরোক্ষ বহুমুখী নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে নেতৃবৃন্দ যোগ করেন, "এলপিজির দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু রান্নাঘরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। হোটেল-রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র খাবারের দোকান এবং অন্যান্য এলপিজিনির্ভর ব্যবসার পরিচালন ব্যয়ও বাড়বে। ফলে খাবারসহ বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দাম বাড়বে। অর্থাৎ, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।"
​খুচরা বাজারে বিইআরসির দুর্বল তদারকি ও কৃত্রিম সংকটের সুযোগে অসাধু চক্রের অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চিত্র তুলে ধরে নেতারা ক্ষোভের সাথে বলেন, "বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হয়। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে গ্রাহক পর্যায়ে এই বাড়তি দাম নেয়া হয়। ফলে একদিকে ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি, অন্যদিকে বাজারে অতিরিক্ত দাম আদায়ের প্রবণতা, এই দুইয়ের চাপে পড়ছেন সাধারণ ভোক্তারা। মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বাজারে কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।"
​রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে সংগঠনের শীর্ষ নেতারা জোরালো বার্তা দেন, "জনগণের দুর্ভোগকে কেবল পরিসংখ্যান দিয়ে বিবেচনা না করে বাস্তব জীবনের সংকট উপলব্ধি করুন। একটি পরিবারের রান্নাঘরের ব্যয়ও রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতির গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিত। জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব; মানুষের কাঁধে একের পর এক ব্যয়ের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। আমরা সাধারণ মানুষের স্বার্থে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা, ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ এবং জ্বালানি খাতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানাচ্ছি।"
​পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশ যুব ফেডারেশনের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা সুনির্দিষ্ট দাবি উপস্থাপন করা হয়। তাদের দাবিগুলো হলো: সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় রেখে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা, এলপিজির আমদানি ব্যয়, আন্তর্জাতিক বাজারদর, পরিবহন খরচ ও কোম্পানির মুনাফাসহ পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা, বিইআরসি নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি পরিচালনা করা ও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম আদায়কারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া, কোনো অসাধু চক্র যাতে ভোক্তাদের জিম্মি করতে না পারে সেজন্য সরবরাহ ব্যবস্থায় পূর্ণাঙ্গ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি নিশ্চিত করতে কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা ও সহায়তামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত