পূর্ব সুন্দরবনের নীলবাড়িয়া বনাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে বনদস্যুদের একটি আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বনবিভাগ। রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে চালানো এই অভিযানে আস্তানাটি থেকে ১৪টি মুঠোফোন সেট ও দস্যুদের ফেলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ রসদসামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। তবে বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা গহিন বনে পালিয়ে যায়।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীদের একটি দল নীলবাড়িয়া এলাকায় নিয়মিত পায়ে হেঁটে টহল দিচ্ছিল। এ সময় বনের ভেতরে গাছের ডালপালা ও পলিথিন দিয়ে তৈরি দস্যুদের একটি অস্থায়ী মাচা বা আস্তানা তাদের নজরে আসে।
বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে আস্তানায় থাকা দস্যুরা দ্রুত বনের গহিনে আত্মগোপন করে। পরে বনরক্ষীরা ওই আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে সিমকার্ডবিহীন ১৪টি মুঠোফোন জব্দ করেন। একই সঙ্গে সেখান থেকে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন ও লবণসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় রসদসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি শেষে বনদস্যুদের আস্তানাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে এবং পর্যটক ও বাওয়ালি- জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বনবিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। দস্যুদের অবস্থান চিহ্নিত করে তা নির্মূলে আমাদের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।’

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
পূর্ব সুন্দরবনের নীলবাড়িয়া বনাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে বনদস্যুদের একটি আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বনবিভাগ। রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে চালানো এই অভিযানে আস্তানাটি থেকে ১৪টি মুঠোফোন সেট ও দস্যুদের ফেলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ রসদসামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। তবে বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা গহিন বনে পালিয়ে যায়।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীদের একটি দল নীলবাড়িয়া এলাকায় নিয়মিত পায়ে হেঁটে টহল দিচ্ছিল। এ সময় বনের ভেতরে গাছের ডালপালা ও পলিথিন দিয়ে তৈরি দস্যুদের একটি অস্থায়ী মাচা বা আস্তানা তাদের নজরে আসে।
বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের পেয়ে আস্তানায় থাকা দস্যুরা দ্রুত বনের গহিনে আত্মগোপন করে। পরে বনরক্ষীরা ওই আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে সিমকার্ডবিহীন ১৪টি মুঠোফোন জব্দ করেন। একই সঙ্গে সেখান থেকে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন ও লবণসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় রসদসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি শেষে বনদস্যুদের আস্তানাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে এবং পর্যটক ও বাওয়ালি- জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বনবিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। দস্যুদের অবস্থান চিহ্নিত করে তা নির্মূলে আমাদের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন