সংবাদ

বিচারধীন দিঘিতে মাছ ধরার অভিযোগ, আগাছা পরিষ্কারের দাবি বন বিভাগের


প্রতিনিধি (সাপাহার) নওগাঁ
প্রতিনিধি (সাপাহার) নওগাঁ
প্রকাশ: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম

বিচারধীন দিঘিতে মাছ ধরার অভিযোগ, আগাছা পরিষ্কারের দাবি বন বিভাগের
ছবি : সংবাদ

নওগাঁর সাপাহারে একটি দিঘির মালিকানা ও দখল নিয়ে সামাজিক বন বিভাগ এবং এক ব্যক্তিমালিকানা পক্ষের বিরোধ গড়িয়েছে আদালতে। মামলাটি আপিল আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থাতেই বিরোধপূর্ণ দিঘিতে জাল ফেলে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের বিরুদ্ধে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বন বিভাগ দাবি করেছে, মাছ ধরা নয়, বরং দিঘির কচুরিপানা ও আগাছা পরিষ্কারের স্বার্থে জাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, প্রায় ৭ দশমিক ২৯ একর আয়তনের বিরোধপূর্ণ ওই দিঘির স্বত্ব দাবি করে রাজশাহীর সামাজিক বন বিভাগের পক্ষে সাপাহার ফরেস্ট বিট কর্মকর্তা ২০১৭ সালে নওগাঁর দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে স্বত্ব ঘোষণার মামলা দায়ের করেন। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট আদালত মামলার রায়ে নালিশি সম্পত্তিতে সামাজিক বন বিভাগের স্বত্ব ঘোষণা করে ডিক্রি দেন।

পরবর্তীতে এই রায়ের বিরুদ্ধে মো. জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নওগাঁর জেলা জজ আদালতে একটি স্বত্ব আপিল মামলা করেন। আপিল আবেদনের পাশাপাশি তিনি সেখানে একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনও জানান।

আদালত আপিল আবেদনটি গ্রহণ করে রেসপনডেন্ট (বন বিভাগ) পক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। একই সঙ্গে আপিল নিস্পতি না হওয়া পর্যন্ত দিঘিতে প্রবেশ, মাছ ধরা, গাছপালা কাটা কিংবা ইজারা দেওয়ার বিষয়ে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না—তা জানতে চান।

আপিলকারী পক্ষের দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে তারা দিঘিটি মাছ চাষসহ ভোগদখলে রাখছেন। দিঘির মালিকানা নিয়ে বন বিভাগের করা দাবি আইনসম্মত নয়।

অন্যদিকে দিঘিতে জাল ফেলার বিষয়ে খঞ্জনপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মতিউর রহমান বলেন, ‘দিঘিটির পক্ষে আদালতের রায় আমাদের অনুকূলে রয়েছে। পানিতে প্রচুর আগাছা জন্ম নেওয়ায় জাল টেনে তা পরিষ্কার করা হচ্ছে। পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে দিঘিটি ইজারা দেওয়া হবে।’

বর্তমানে মামলাটি আপিল আদালতে বিচারাধীন থাকায় বিরোধপূর্ণ দিঘির চূড়ান্ত মালিকানা ও দখলের বিষয়টি আদালতের আদেশের ওপরই নির্ভর করছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


বিচারধীন দিঘিতে মাছ ধরার অভিযোগ, আগাছা পরিষ্কারের দাবি বন বিভাগের

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নওগাঁর সাপাহারে একটি দিঘির মালিকানা ও দখল নিয়ে সামাজিক বন বিভাগ এবং এক ব্যক্তিমালিকানা পক্ষের বিরোধ গড়িয়েছে আদালতে। মামলাটি আপিল আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থাতেই বিরোধপূর্ণ দিঘিতে জাল ফেলে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের বিরুদ্ধে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বন বিভাগ দাবি করেছে, মাছ ধরা নয়, বরং দিঘির কচুরিপানা ও আগাছা পরিষ্কারের স্বার্থে জাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, প্রায় ৭ দশমিক ২৯ একর আয়তনের বিরোধপূর্ণ ওই দিঘির স্বত্ব দাবি করে রাজশাহীর সামাজিক বন বিভাগের পক্ষে সাপাহার ফরেস্ট বিট কর্মকর্তা ২০১৭ সালে নওগাঁর দ্বিতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে স্বত্ব ঘোষণার মামলা দায়ের করেন। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট আদালত মামলার রায়ে নালিশি সম্পত্তিতে সামাজিক বন বিভাগের স্বত্ব ঘোষণা করে ডিক্রি দেন।

পরবর্তীতে এই রায়ের বিরুদ্ধে মো. জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নওগাঁর জেলা জজ আদালতে একটি স্বত্ব আপিল মামলা করেন। আপিল আবেদনের পাশাপাশি তিনি সেখানে একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনও জানান।

আদালত আপিল আবেদনটি গ্রহণ করে রেসপনডেন্ট (বন বিভাগ) পক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। একই সঙ্গে আপিল নিস্পতি না হওয়া পর্যন্ত দিঘিতে প্রবেশ, মাছ ধরা, গাছপালা কাটা কিংবা ইজারা দেওয়ার বিষয়ে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না—তা জানতে চান।

আপিলকারী পক্ষের দাবি, দীর্ঘ দিন ধরে তারা দিঘিটি মাছ চাষসহ ভোগদখলে রাখছেন। দিঘির মালিকানা নিয়ে বন বিভাগের করা দাবি আইনসম্মত নয়।

অন্যদিকে দিঘিতে জাল ফেলার বিষয়ে খঞ্জনপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মতিউর রহমান বলেন, ‘দিঘিটির পক্ষে আদালতের রায় আমাদের অনুকূলে রয়েছে। পানিতে প্রচুর আগাছা জন্ম নেওয়ায় জাল টেনে তা পরিষ্কার করা হচ্ছে। পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে দিঘিটি ইজারা দেওয়া হবে।’

বর্তমানে মামলাটি আপিল আদালতে বিচারাধীন থাকায় বিরোধপূর্ণ দিঘির চূড়ান্ত মালিকানা ও দখলের বিষয়টি আদালতের আদেশের ওপরই নির্ভর করছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত