সংবাদ

চার খুনের মাছুয়াপাড়ায় কাটেনি আতঙ্ক, দুর্গাপূজা ঘিরে সংশয়


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, রংপুর থেকে
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, রংপুর থেকে
প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম

চার খুনের মাছুয়াপাড়ায় কাটেনি আতঙ্ক, দুর্গাপূজা ঘিরে সংশয়
স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যরা

রংপুর নগরীর হিন্দু অধ্যুষিত মাছুয়াপাড়া মহল্লায় স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনার প্রায় দেড় মাস পরেও কাটেনি আতঙ্ক। মহল্লাজুড়ে বিরাজ করছে অজানা ভয়। এই আতঙ্কের মধ্যেই দুয়ারে কড়া নাড়ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তবে এবার উৎসবের আমেজ ফিকে হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সরেজমিনে মাছুয়াপাড়া ঘুরে দেখা যায়, নিহত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পর এলাকার একমাত্র মন্দিরে দুর্গাপূজার কোনো আমেজ নেই। যদিও প্রতিমা তৈরি ও সার্বিক প্রস্তুতি চলছে। তবে পুরো মহল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। মহল্লায় নেই কোনো কর্মব্যস্ততা, বরং বিরাজ করছে নীরবতা। এমনকি শিশুদের মধ্যেও উৎসাহ নেই।

মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, সাদামাটাভাবে প্রতিমা তৈরি শেষ হয়েছে। মন্দিরের সহকারী পুরোহিত অভিলাষ বর্মণ বলেন, ‘কোনো রকমে উৎসব না করলেও নয়, তাই করা। এবার তেমন কোনো সাজসজ্জা নেই। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাটছে না। তবুও পূজা উদযাপন করতে হয়, তাই করছি।’

সোমবার দুপুরে মাছুয়াপাড়ায় নিহত শিক্ষকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, প্রবেশপথের গেটের ভেতরে পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্য জানান, ‘আমরা বাড়ি পাহারা দিচ্ছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া ভেতরে প্রবেশ নিষেধ।’ এর বাইরে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে গৃহবধূ তুলসী দাস বলেন, ‘আমরা দেড় মাস ধরে চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছি। দিনের বেলা ভয় না লাগলেও সন্ধ্যার পর জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হই না। এবার পূজার আনন্দ ফিকে হয়ে গেছে। 

তুলসী দাস আরও বলেন, ‘একটি পরিবারের চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো, তার পরেও আমরা কীভাবে ভালো থাকি? ছেলেমেয়েদের এখনো জামা-কাপড় কেনা হয়নি। মনে শান্তি নেই, তার পরেও পূজা উদযাপন করব। তবে ওই পরিবারকে আমরা ভীষণ মিস করব।’

একই ভাষ্য আশিষ দাসেরও। তিনি বলেন, ‘মাছুয়াপাড়ায় আমার জন্ম। দীর্ঘ ৩০ বছরেও এমন আতঙ্ক দেখিনি। আমরা সার্বক্ষণিক ভয়ে থাকি—আমরাও নাকি দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হব। কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাল, কারা এর নেপথ্যে—এটা এখনো আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। দেড় মাস অতিবাহিত হয়ে গেল। কয়েকদিন পুলিশ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন জনের দৌড়ঝাঁপ দেখলাম। এখন সবাই চুপচাপ। এই রহস্য বুঝলাম না। তবে আমরা প্রকৃত হত্যার রহস্য উদঘাটিত হোক এবং খুনি ও তাদের দোসররা আইনের আওতায় আসুক—এটা চাই।’

বৃদ্ধা মনু বালা দাস বলেন, ‘আবারও একই ঘটনা ঘটবে কি না, সেই আতঙ্কে আছি আমরা মহল্লাবাসী। আমরা ভয়ে বাড়ি থেকে বের হই না। কখন কী হয়, ভগবান জানেন। এবার আমরা আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা পালন করতে পারব না। তার পরেও বছরে একটি উৎসব যতটুকু করা দরকার, করার চেষ্টা করছি।’

গৃহবধূ বিনু দাস বলেন, ‘আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে আছি। প্রশাসন আমাদের পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারছে বলে মনে করি না। একটি পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হলো, এত বড় ঘটনার পরেও এখনো হত্যাকাণ্ডের পুরো জট খুলছে না কেন? পুলিশ অনেক আলামত নিয়ে গেছে পরীক্ষা করতে, এত সময় লাগছে কেন রিপোর্ট দিতে?’

বিনু দাস আরও বলেন, ‘আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা আর আশ্বস্ত হতে পারছি না। পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাই। এ বছর আর আনন্দে মাতা হবে না শারদীয় উৎসবে। আতঙ্ক নিয়েই এবার পূজায় বসবে মাছুয়াপাড়াবাসী।’

এদিকে শিক্ষক গণপতি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মুগ্ধ দাসের বাড়িতে চলছে কান্নার রোল। সন্তান কারাগারে থাকায় তাদের বাড়িতে উৎসবের কোনো আয়োজন নেই বলে জানান তার বাবা বিনয় দাস।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আর ভয় কাটিয়ে নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপনে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে গেল ৪ অক্টোবর রংপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাছুয়াপাড়া মহল্লায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক ইসরাত জানান, ‘সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট নগরীর মাছুয়াপাড়া মহল্লায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রতীলতা চক্রবর্তী, কন্যা আগামী চক্রবর্তী ও স্কুলছাত্র একমাত্র পুত্র আয়ুম চক্রবর্তীসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই আসামিকে পরের দিন গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। 

এরপর মামলাটি ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে। দুই আসামির ডিএনএ টেস্টের জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। এ ছাড়া ৩৫ ধরনের আলামত সিআইডি দপ্তরে পাঠানো হয়। এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদন আসেনি। পুলিশ দাবি করছে, দুই আসামি চারজনকে একে একে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। তবে পুলিশের এই কথা নিহতদের স্বজনসহ দেশের মানুষ বিশ্বাস করছেন না। ফলে মামলার তদন্ত নিয়ে জনমনে এখনো নানা সন্দেহ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


চার খুনের মাছুয়াপাড়ায় কাটেনি আতঙ্ক, দুর্গাপূজা ঘিরে সংশয়

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রংপুর নগরীর হিন্দু অধ্যুষিত মাছুয়াপাড়া মহল্লায় স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনার প্রায় দেড় মাস পরেও কাটেনি আতঙ্ক। মহল্লাজুড়ে বিরাজ করছে অজানা ভয়। এই আতঙ্কের মধ্যেই দুয়ারে কড়া নাড়ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তবে এবার উৎসবের আমেজ ফিকে হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সরেজমিনে মাছুয়াপাড়া ঘুরে দেখা যায়, নিহত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পর এলাকার একমাত্র মন্দিরে দুর্গাপূজার কোনো আমেজ নেই। যদিও প্রতিমা তৈরি ও সার্বিক প্রস্তুতি চলছে। তবে পুরো মহল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। মহল্লায় নেই কোনো কর্মব্যস্ততা, বরং বিরাজ করছে নীরবতা। এমনকি শিশুদের মধ্যেও উৎসাহ নেই।

মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, সাদামাটাভাবে প্রতিমা তৈরি শেষ হয়েছে। মন্দিরের সহকারী পুরোহিত অভিলাষ বর্মণ বলেন, ‘কোনো রকমে উৎসব না করলেও নয়, তাই করা। এবার তেমন কোনো সাজসজ্জা নেই। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাটছে না। তবুও পূজা উদযাপন করতে হয়, তাই করছি।’

সোমবার দুপুরে মাছুয়াপাড়ায় নিহত শিক্ষকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, প্রবেশপথের গেটের ভেতরে পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্য জানান, ‘আমরা বাড়ি পাহারা দিচ্ছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ছাড়া ভেতরে প্রবেশ নিষেধ।’ এর বাইরে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে গৃহবধূ তুলসী দাস বলেন, ‘আমরা দেড় মাস ধরে চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছি। দিনের বেলা ভয় না লাগলেও সন্ধ্যার পর জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হই না। এবার পূজার আনন্দ ফিকে হয়ে গেছে। 

তুলসী দাস আরও বলেন, ‘একটি পরিবারের চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো, তার পরেও আমরা কীভাবে ভালো থাকি? ছেলেমেয়েদের এখনো জামা-কাপড় কেনা হয়নি। মনে শান্তি নেই, তার পরেও পূজা উদযাপন করব। তবে ওই পরিবারকে আমরা ভীষণ মিস করব।’

একই ভাষ্য আশিষ দাসেরও। তিনি বলেন, ‘মাছুয়াপাড়ায় আমার জন্ম। দীর্ঘ ৩০ বছরেও এমন আতঙ্ক দেখিনি। আমরা সার্বক্ষণিক ভয়ে থাকি—আমরাও নাকি দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হব। কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাল, কারা এর নেপথ্যে—এটা এখনো আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। দেড় মাস অতিবাহিত হয়ে গেল। কয়েকদিন পুলিশ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন জনের দৌড়ঝাঁপ দেখলাম। এখন সবাই চুপচাপ। এই রহস্য বুঝলাম না। তবে আমরা প্রকৃত হত্যার রহস্য উদঘাটিত হোক এবং খুনি ও তাদের দোসররা আইনের আওতায় আসুক—এটা চাই।’

বৃদ্ধা মনু বালা দাস বলেন, ‘আবারও একই ঘটনা ঘটবে কি না, সেই আতঙ্কে আছি আমরা মহল্লাবাসী। আমরা ভয়ে বাড়ি থেকে বের হই না। কখন কী হয়, ভগবান জানেন। এবার আমরা আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা পালন করতে পারব না। তার পরেও বছরে একটি উৎসব যতটুকু করা দরকার, করার চেষ্টা করছি।’

গৃহবধূ বিনু দাস বলেন, ‘আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে আছি। প্রশাসন আমাদের পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারছে বলে মনে করি না। একটি পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হলো, এত বড় ঘটনার পরেও এখনো হত্যাকাণ্ডের পুরো জট খুলছে না কেন? পুলিশ অনেক আলামত নিয়ে গেছে পরীক্ষা করতে, এত সময় লাগছে কেন রিপোর্ট দিতে?’

বিনু দাস আরও বলেন, ‘আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমরা আর আশ্বস্ত হতে পারছি না। পূর্ণ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাই। এ বছর আর আনন্দে মাতা হবে না শারদীয় উৎসবে। আতঙ্ক নিয়েই এবার পূজায় বসবে মাছুয়াপাড়াবাসী।’

এদিকে শিক্ষক গণপতি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মুগ্ধ দাসের বাড়িতে চলছে কান্নার রোল। সন্তান কারাগারে থাকায় তাদের বাড়িতে উৎসবের কোনো আয়োজন নেই বলে জানান তার বাবা বিনয় দাস।

নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আর ভয় কাটিয়ে নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপনে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে গেল ৪ অক্টোবর রংপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাছুয়াপাড়া মহল্লায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক ইসরাত জানান, ‘সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট নগরীর মাছুয়াপাড়া মহল্লায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রতীলতা চক্রবর্তী, কন্যা আগামী চক্রবর্তী ও স্কুলছাত্র একমাত্র পুত্র আয়ুম চক্রবর্তীসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই আসামিকে পরের দিন গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। 

এরপর মামলাটি ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে। দুই আসামির ডিএনএ টেস্টের জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। এ ছাড়া ৩৫ ধরনের আলামত সিআইডি দপ্তরে পাঠানো হয়। এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদন আসেনি। পুলিশ দাবি করছে, দুই আসামি চারজনকে একে একে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। তবে পুলিশের এই কথা নিহতদের স্বজনসহ দেশের মানুষ বিশ্বাস করছেন না। ফলে মামলার তদন্ত নিয়ে জনমনে এখনো নানা সন্দেহ রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত