কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গ্রামবাংলার হারানো ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই বাইচ দেখতে বিলের পাড় ও সংলগ্ন গ্রামীণ সড়কজুড়ে ভিড় করেন হাজারো দর্শনার্থী। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বজরুখ বাখয় বিলে এই নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতি বছরের মতো এবারও ঐতিহ্যবাহী এ খেলার আয়োজন করে বজরুখ বাখয় ও দুর্গাপুর গ্রামবাসী। আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখা, সাধারণ মানুষকে সুস্থ বিনোদন দেওয়া এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ ছুটে আসেন বিলপাড়ে। রঙ-বেরঙের ডিঙি নৌকায় রঙিন গামছা পরা মাঝিরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঁশির তালে দাঁড় টানেন। এ সময় দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকদের তালি আর হাঁকডাক যেন ফিরিয়ে আনে আবহমান বাংলার সোনালি রূপ।
বাইচ দেখতে আসা প্রবীণ দর্শনার্থীরা বলেন, ‘ছোটবেলায় এই বিলেই আমরা নৌকা বাইচ দেখেছি। মাঝে কয়েক বছর বন্ধ ছিল। আবার নিয়মিত আয়োজন শুরু হওয়ায় পুরোনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। আমরা চাই প্রতি বছরই এ ধারা অব্যাহত থাকুক।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদী-বিল ভরাট ও প্রযুক্তিনির্ভর বিনোদনের ডামাডোলে একসময় নৌকা বাইচ হারিয়ে যেতে বসেছিল। তবে মানুষের সুসংগঠিত উদ্যোগ আর ভালোবাসায় এই লোকজ ঐতিহ্য আবার ফিরে এসেছে।
আয়োজক কমিটির সদস্য বিপুল হোসেন বলেন, ‘নৌকা বাইচ কেবল একটি খেলা নয়; এটি গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও মানুষের পারস্পরিক মিলনমেলা। দেশের সর্বত্র এ ধরনের আয়োজন ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।’

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গ্রামবাংলার হারানো ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই বাইচ দেখতে বিলের পাড় ও সংলগ্ন গ্রামীণ সড়কজুড়ে ভিড় করেন হাজারো দর্শনার্থী। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বজরুখ বাখয় বিলে এই নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতি বছরের মতো এবারও ঐতিহ্যবাহী এ খেলার আয়োজন করে বজরুখ বাখয় ও দুর্গাপুর গ্রামবাসী। আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখা, সাধারণ মানুষকে সুস্থ বিনোদন দেওয়া এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ ছুটে আসেন বিলপাড়ে। রঙ-বেরঙের ডিঙি নৌকায় রঙিন গামছা পরা মাঝিরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঁশির তালে দাঁড় টানেন। এ সময় দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকদের তালি আর হাঁকডাক যেন ফিরিয়ে আনে আবহমান বাংলার সোনালি রূপ।
বাইচ দেখতে আসা প্রবীণ দর্শনার্থীরা বলেন, ‘ছোটবেলায় এই বিলেই আমরা নৌকা বাইচ দেখেছি। মাঝে কয়েক বছর বন্ধ ছিল। আবার নিয়মিত আয়োজন শুরু হওয়ায় পুরোনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল। আমরা চাই প্রতি বছরই এ ধারা অব্যাহত থাকুক।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদী-বিল ভরাট ও প্রযুক্তিনির্ভর বিনোদনের ডামাডোলে একসময় নৌকা বাইচ হারিয়ে যেতে বসেছিল। তবে মানুষের সুসংগঠিত উদ্যোগ আর ভালোবাসায় এই লোকজ ঐতিহ্য আবার ফিরে এসেছে।
আয়োজক কমিটির সদস্য বিপুল হোসেন বলেন, ‘নৌকা বাইচ কেবল একটি খেলা নয়; এটি গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও মানুষের পারস্পরিক মিলনমেলা। দেশের সর্বত্র এ ধরনের আয়োজন ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।’

আপনার মতামত লিখুন