টাঙ্গাইলের সখিপুরে স্বামী ও দেবরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন, পেটে ছুরিকাঘাত এবং এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন শান্তা আক্তার নামের এক গৃহবধূ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সখিপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শান্তা আক্তার জানান, ২০০১ সালে হেকমত আলীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। গত ৭-৮ বছর ধরে তিনি স্বামীর নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। গত ১৯ আগস্ট স্বামী তাকে মারধর করে পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
পরবর্তী সময়ে বিষয়টিতে আপসের কথা বলে ৬ লাখ টাকা দেনমোহর ও ১০ শতাংশ জমি দেওয়ার বিষয়ে বায়নাপত্র করা হলেও শেষ পর্যন্ত জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শান্তা আক্তার আরও অভিযোগ করেন, গত ১১ মার্চ তার দেবর লতিফ মিয়া তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেছন থেকে এসিড নিক্ষেপ করেন। ওই ঘটনায় তিনি ঢাকায় চিকিৎসা নেন।
গৃহবধূর দাবি, তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বসতঘর ভাঙচুর করে নগদ ৩ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিয়ের পর সংসার চালাতে বাবার বাড়ির সম্পত্তি থেকে প্রায় ৪১ লাখ ৭২ হাজার টাকা ব্যয় করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আবেগপ্লুত কণ্ঠে শান্তা বলেন, ‘আমার বাবা-মা কেউ নেই, যাওয়ার মতো কোনো জায়গাও নেই। আমি স্বামী ও দেবরের অব্যাহত নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
সংবাদ সম্মেলনে সখিপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব আনোয়ার কবির, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম বাবুল, মাসুদ রানা ও আমিনুল ইসলাম হাবিবসহ স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখিপুরে স্বামী ও দেবরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন, পেটে ছুরিকাঘাত এবং এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ তুলে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন শান্তা আক্তার নামের এক গৃহবধূ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সখিপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শান্তা আক্তার জানান, ২০০১ সালে হেকমত আলীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। গত ৭-৮ বছর ধরে তিনি স্বামীর নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। গত ১৯ আগস্ট স্বামী তাকে মারধর করে পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।
পরবর্তী সময়ে বিষয়টিতে আপসের কথা বলে ৬ লাখ টাকা দেনমোহর ও ১০ শতাংশ জমি দেওয়ার বিষয়ে বায়নাপত্র করা হলেও শেষ পর্যন্ত জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শান্তা আক্তার আরও অভিযোগ করেন, গত ১১ মার্চ তার দেবর লতিফ মিয়া তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পেছন থেকে এসিড নিক্ষেপ করেন। ওই ঘটনায় তিনি ঢাকায় চিকিৎসা নেন।
গৃহবধূর দাবি, তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বসতঘর ভাঙচুর করে নগদ ৩ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিয়ের পর সংসার চালাতে বাবার বাড়ির সম্পত্তি থেকে প্রায় ৪১ লাখ ৭২ হাজার টাকা ব্যয় করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আবেগপ্লুত কণ্ঠে শান্তা বলেন, ‘আমার বাবা-মা কেউ নেই, যাওয়ার মতো কোনো জায়গাও নেই। আমি স্বামী ও দেবরের অব্যাহত নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
সংবাদ সম্মেলনে সখিপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব আনোয়ার কবির, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম বাবুল, মাসুদ রানা ও আমিনুল ইসলাম হাবিবসহ স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন