যশোরের শার্শায় পানির মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মুস্তাকিন হোসেন (৬) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চটকাপোতা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুস্তাকিন চটকাপোতা গ্রামের মাহমুদুল হাসান বাবুর ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
নিহত শিশুর বাবা মাহমুদুল হাসান জানান, স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য পানি তুলতে মোটরের সুইচ দিতে যায় মুস্তাকিন। এ সময় অসাবধানতাবশত সে বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে জড়িয়ে পড়ে। পরে পরিবারের সদস্যরা কাঠের সাহায্যে বিদ্যুতের সংযোগ থেকে ছাড়িয়ে তাকে দ্রুত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুখেন্দু কুমার মজুমদার জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবার বা স্বজনদের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের শার্শায় পানির মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মুস্তাকিন হোসেন (৬) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চটকাপোতা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুস্তাকিন চটকাপোতা গ্রামের মাহমুদুল হাসান বাবুর ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
নিহত শিশুর বাবা মাহমুদুল হাসান জানান, স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য পানি তুলতে মোটরের সুইচ দিতে যায় মুস্তাকিন। এ সময় অসাবধানতাবশত সে বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে জড়িয়ে পড়ে। পরে পরিবারের সদস্যরা কাঠের সাহায্যে বিদ্যুতের সংযোগ থেকে ছাড়িয়ে তাকে দ্রুত শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুখেন্দু কুমার মজুমদার জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবার বা স্বজনদের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন