বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পূর্ব সোমাদ্দারখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি কাঠের পুল প্রায় ২০ বছর আগে ভেঙে যায়। এরপর স্থানীয় উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়। সেটিই এখন শিশুদের একমাত্র পারাপারের পথ। বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে হয়। বর্ষায় তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।
এদিকে কুমিল্লার পূর্ব বাতাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যাও গুরুতর। বিদ্যালয়ের বড় অংশের জমি পুকুরে তলিয়ে গেছে। নেই উপযুক্ত মাঠ ও সড়ক। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হতে হয় শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষকে। গাজীপুরের গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও একইভাবে নড়বড়ে সাঁকো পার হতে হয়। বর্ষায় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
এসব সমস্যা নতুন নয়। শিক্ষক ও অভিভাবকেরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছেন। কোথাও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে, কোথাও মানববন্ধন হয়েছে। তবে টেকসই সমাধান হয়নি। এভাবে বছরের পর বছর শিশুদের ঝুঁকির মধ্যে রেখে শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা অর্থহীন।
আমরা বলতে চাই, এসব বিদ্যালয়ের ঝুঁকি নিরূপণ করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে। যেখানে সেতু প্রয়োজন, সেখানে স্থায়ী ও নিরাপদ সংযোগপথ তৈরি করতে হবে। বিদ্যালয়ের মাঠ, ভবন ও সড়কও নিরাপদ করতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বরাদ্দের অপেক্ষায় বছরের পর বছর সমস্যা ফেলে রাখা যাবে না।
কোনো শিক্ষার্থীকে ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হবে সেটা হতে পারে না। নিরাপদে বিদ্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীর অধিকার। এই অধিকার উপেক্ষা করা চলে না।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের পূর্ব সোমাদ্দারখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি কাঠের পুল প্রায় ২০ বছর আগে ভেঙে যায়। এরপর স্থানীয় উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়। সেটিই এখন শিশুদের একমাত্র পারাপারের পথ। বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে হয়। বর্ষায় তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।
এদিকে কুমিল্লার পূর্ব বাতাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যাও গুরুতর। বিদ্যালয়ের বড় অংশের জমি পুকুরে তলিয়ে গেছে। নেই উপযুক্ত মাঠ ও সড়ক। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হতে হয় শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষকে। গাজীপুরের গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও একইভাবে নড়বড়ে সাঁকো পার হতে হয়। বর্ষায় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
এসব সমস্যা নতুন নয়। শিক্ষক ও অভিভাবকেরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছেন। কোথাও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে, কোথাও মানববন্ধন হয়েছে। তবে টেকসই সমাধান হয়নি। এভাবে বছরের পর বছর শিশুদের ঝুঁকির মধ্যে রেখে শিক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলা অর্থহীন।
আমরা বলতে চাই, এসব বিদ্যালয়ের ঝুঁকি নিরূপণ করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে। যেখানে সেতু প্রয়োজন, সেখানে স্থায়ী ও নিরাপদ সংযোগপথ তৈরি করতে হবে। বিদ্যালয়ের মাঠ, ভবন ও সড়কও নিরাপদ করতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বরাদ্দের অপেক্ষায় বছরের পর বছর সমস্যা ফেলে রাখা যাবে না।
কোনো শিক্ষার্থীকে ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হবে সেটা হতে পারে না। নিরাপদে বিদ্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীর অধিকার। এই অধিকার উপেক্ষা করা চলে না।

আপনার মতামত লিখুন