নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হচ্ছে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার (১১ অক্টোবর) বেনাপোল-পেট্রাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তার মরদেহ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পরবর্তীতে চট্টগ্রামের রাউজানে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
মরদেহ দেশে আসার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বেনাপোল চেকপোস্ট ও নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সীমান্ত এলাকায় সাধারণ পাসপোর্টযাত্রী ছাড়া অপ্রয়োজনীয় যেকোনো মানুষের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাদা পোশাকে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগতে থাকা রোটনকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১০ অক্টোবর) তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। শনিবার কলকাতার রাজারহাটের জগারডাঙ্গা মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
কলকাতাভিত্তিক বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট তিনি বেনাপোল হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং চিকিৎসার জন্য সেখানে অবস্থান করছিলেন। প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র প্রদান শেষে তার স্বজন শাহানুর রহমানের কাছে মরদেহ হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত হন।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে আনা হচ্ছে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার (১১ অক্টোবর) বেনাপোল-পেট্রাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তার মরদেহ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পরবর্তীতে চট্টগ্রামের রাউজানে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
মরদেহ দেশে আসার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বেনাপোল চেকপোস্ট ও নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সীমান্ত এলাকায় সাধারণ পাসপোর্টযাত্রী ছাড়া অপ্রয়োজনীয় যেকোনো মানুষের প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাদা পোশাকে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগতে থাকা রোটনকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১০ অক্টোবর) তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। শনিবার কলকাতার রাজারহাটের জগারডাঙ্গা মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
কলকাতাভিত্তিক বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট তিনি বেনাপোল হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং চিকিৎসার জন্য সেখানে অবস্থান করছিলেন। প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র প্রদান শেষে তার স্বজন শাহানুর রহমানের কাছে মরদেহ হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত হন।

আপনার মতামত লিখুন