সংবাদ

বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলো ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ


প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)
প্রতিনিধি, বেনাপোল (যশোর)
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৩ পিএম

বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলো ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ
ছবি : সংবাদ

কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ ভারত থেকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ দুই বছর দুই মাস পর রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে তার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স বেনাপোল চেকপোস্টে পৌঁছায়। 

ইমিগ্রেশনের প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহটি স্বজন ও বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৭টায় কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে মারা যান রোটন। 

মরদেহ হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে শনিবার গভীর রাত থেকেই বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। কাস্টমস, বন্দর ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ সীমিত রেখে এলাকাটিতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন রোটনের বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন ও তার স্ত্রী আরেফা সুলতানা। পরে পুলিশ প্রহরায় মরদেহ ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। 

কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসায় ভারতে গিয়েছিলেন রোটন। তিনি ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মরদেহের স্বজনেরা জানান, ঢাকায় প্রাথমিক জানাজা শেষে চট্টগ্রামের রাউজানে গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরলো ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ ভারত থেকে বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ দুই বছর দুই মাস পর রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত হয়ে তার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স বেনাপোল চেকপোস্টে পৌঁছায়। 

ইমিগ্রেশনের প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে নো-ম্যান্স ল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহটি স্বজন ও বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। দীর্ঘদিন ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৭টায় কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে মারা যান রোটন। 

মরদেহ হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে শনিবার গভীর রাত থেকেই বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। কাস্টমস, বন্দর ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশ সীমিত রেখে এলাকাটিতে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন রোটনের বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন ও তার স্ত্রী আরেফা সুলতানা। পরে পুলিশ প্রহরায় মরদেহ ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। 

কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসায় ভারতে গিয়েছিলেন রোটন। তিনি ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মরদেহের স্বজনেরা জানান, ঢাকায় প্রাথমিক জানাজা শেষে চট্টগ্রামের রাউজানে গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত