কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে উপজেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন খোকন ও তার ভাতিজা মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে মোকাররম হোসেন খোকনকে আদালতে তোলা হবে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকা থেকে মোকাররম হোসেন খোকন এবং নেত্রকোনা শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তার ভাতিজা মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই দুই গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ড মামলায় মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। তাদের মধ্যে ৫ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার মোহাম্মদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মিঠামইন বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বেড়িবাঁধ এলাকার নিজ বাড়িতে ফেরার সময় ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। পরে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় জাহাঙ্গীরকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে হাদিস মিয়া নামে এক বিএনপি কর্মীও আহত হন। তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হেলাল নামে এক হামলাকারীকে জাপটে ধরলে স্থানীয় জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে হেলাল জানায়, ‘খোকন’ তাদের ভাড়া করেছিলেন। ওই রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাহিন ও শাকিল নামে আরও দুজনকে আটক করে। আটকরা পুলিশের কাছে স্বীকার করে যে জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে হত্যা করতেই তাদের ভাড়া করে আনা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা খোকনের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার ওপর সন্দেহ ঘনীভূত হয়।
এ ঘটনায় গত ১৮ জুলাই নিহতের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার চৌধুরী বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ঘটনাস্থলে গ্রেপ্তার হওয়া বরগুনার বামনার হেলাল (২৫), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের মো. মাহিন উদ্দিন (৩২) ও মো. শাকিলের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে উপজেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন খোকন ও তার ভাতিজা মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে মোকাররম হোসেন খোকনকে আদালতে তোলা হবে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকা থেকে মোকাররম হোসেন খোকন এবং নেত্রকোনা শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তার ভাতিজা মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই দুই গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ড মামলায় মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। তাদের মধ্যে ৫ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার মোহাম্মদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মিঠামইন বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বেড়িবাঁধ এলাকার নিজ বাড়িতে ফেরার সময় ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালায়। পরে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ সময় জাহাঙ্গীরকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে হাদিস মিয়া নামে এক বিএনপি কর্মীও আহত হন। তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হেলাল নামে এক হামলাকারীকে জাপটে ধরলে স্থানীয় জনতা তাকে গণপিটুনি দেয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে হেলাল জানায়, ‘খোকন’ তাদের ভাড়া করেছিলেন। ওই রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাহিন ও শাকিল নামে আরও দুজনকে আটক করে। আটকরা পুলিশের কাছে স্বীকার করে যে জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে হত্যা করতেই তাদের ভাড়া করে আনা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা খোকনের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার ওপর সন্দেহ ঘনীভূত হয়।
এ ঘটনায় গত ১৮ জুলাই নিহতের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার চৌধুরী বাদী হয়ে মিঠামইন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে ঘটনাস্থলে গ্রেপ্তার হওয়া বরগুনার বামনার হেলাল (২৫), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের মো. মাহিন উদ্দিন (৩২) ও মো. শাকিলের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন