সতিনকে ফাঁসাতে নিজ আড়াই বছরের শিশুকন্যাকে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে। নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় ঘটে যাওয়া এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডে ঘাতক মা রহিমা ওরফে টুনিকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে মা নিজেই নিজের সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
নিহত শিশুটির নাম তানজিমা। সে মনোহরদী উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের নাজমুলের মেয়ে। অভিযুক্ত রহিমা একই উপজেলার চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের নুরুল আমিনের মেয়ে এবং নাজমুলের দ্বিতীয় স্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে নয়াপাড়া গ্রামে নাজমুলের বসতঘরের একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে শিশু তানজিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির দাদি ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মনোহরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
জবানবন্দি ও মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে রহিমা তার স্বামী নাজমুল ও প্রথম স্ত্রী (সতিন) হনুফার সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার দিন সতিন হনুফার সঙ্গে রহিমার তীব্র বাকবিতণ্ডা ও ঝগড়া হয়। এর জের ধরে সতিনকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে রহিমা নানির বাড়ি থেকে তার শিশুকন্যাকে নিয়ে আসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় পাড়াতলা গ্রামের পল্টনের পুকুরে তানজিমাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেন রহিমা। পরে শিশুটির মরদেহ স্বামীর ঘরের একটি চৌকিতে কাপড় দিয়ে ঢেকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যান। পুলিশ খবর পেয়ে ওই রাতেই তালা ভেঙে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, আসামিকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুততম সময়ে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। অভিযুক্ত মা অপরাধ স্বীকার করায় তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
সতিনকে ফাঁসাতে নিজ আড়াই বছরের শিশুকন্যাকে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে। নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় ঘটে যাওয়া এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডে ঘাতক মা রহিমা ওরফে টুনিকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে মা নিজেই নিজের সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
নিহত শিশুটির নাম তানজিমা। সে মনোহরদী উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের নাজমুলের মেয়ে। অভিযুক্ত রহিমা একই উপজেলার চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের নুরুল আমিনের মেয়ে এবং নাজমুলের দ্বিতীয় স্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে নয়াপাড়া গ্রামে নাজমুলের বসতঘরের একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে শিশু তানজিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির দাদি ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মনোহরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
জবানবন্দি ও মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে রহিমা তার স্বামী নাজমুল ও প্রথম স্ত্রী (সতিন) হনুফার সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার দিন সতিন হনুফার সঙ্গে রহিমার তীব্র বাকবিতণ্ডা ও ঝগড়া হয়। এর জের ধরে সতিনকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে রহিমা নানির বাড়ি থেকে তার শিশুকন্যাকে নিয়ে আসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় পাড়াতলা গ্রামের পল্টনের পুকুরে তানজিমাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেন রহিমা। পরে শিশুটির মরদেহ স্বামীর ঘরের একটি চৌকিতে কাপড় দিয়ে ঢেকে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যান। পুলিশ খবর পেয়ে ওই রাতেই তালা ভেঙে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, আসামিকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুততম সময়ে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। অভিযুক্ত মা অপরাধ স্বীকার করায় তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন