দাদির মৃত্যুর মর্মান্তিক সংবাদ পেয়ে পরিবারের কাছে দ্রুত ফিরে যাচ্ছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। রবিবার (১১ অক্টোবর) আটক অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই তিনি নিজের গ্রামের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন।
এর আগে তাকে রাজ্যসভার বিশিষ্ট সদস্য ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বলের বাসভবন থেকে বাইরে বের হতে দেখা যায়। মুক্তি পাওয়ার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দীপকে স্পষ্টভাবে বলেছেন, আমি এখন আমার বাড়ি ফিরে যাচ্ছি, কারণ আমার দাদি মারা গেছেন এবং এই শোকের সময়ে আমি অবশ্যই আমার পরিবারের সঙ্গে থাকতে চাই।
এছাড়া আমাদের দলের পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি আরও জানান যে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দুপুর ২টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলন করবেন এবং সেখান থেকেই আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
দিল্লিতে শনিবারের উত্তাল বিক্ষোভ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নেওয়া কঠোর পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে অভিজিৎ দীপকে আরও বলেন, গত শনিবার ঠিক কী ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তা আজ গোটা দেশ তথা পুরো বিশ্ব নিজ চোখে দেখেছে। মূলত জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করার জন্যই শনিবার পুরো দিল্লি শহরকে একপ্রকার অচল করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জ্ঞানেশ কুমারের মধ্যে এমন কী বিশেষ বিষয় রয়েছে, যার জন্য তাকে রক্ষা করতে গিয়ে শনিবার লাখ লাখ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলতে হলো?
উল্লেখ্য, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের জোরালো দাবিতে গত শনিবার দিল্লিতে এক বিশাল বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি ও বিভিন্ন বিরোধী দল। মূলত ভোটার তালিকায় ব্যাপক জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেই এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
তবে দিল্লি পুলিশ সেই বিক্ষোভের কোনো অনুমতি দেয়নি এবং পুরো কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক ও নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেই পুলিশ দীপকেসহ সিজেপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছিল।
এদিকে আটকের পর জেল বা পুলিশি বাধা থেকে মুক্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক জোরালো বার্তায় অভিজিৎ দীপকে দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই সিজেপি পিছু হটবে না এবং তারা কোনো হুমকি বা ভয়ভীতিকে পরোয়া করবে না।
তার ভাষায়, গত ১০ অক্টোবর তারিখটিকে এই স্বৈরাচারের অবসানের সূচনার দিন হিসেবে ইতিহাসের পাতায় মনে রাখা হবে। একই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে তিনি দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেন, সিজেপির সহ-সমন্বয়ক আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস খুব শীঘ্রই সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে রাজপথের আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি জাতির সামনে ঘোষণা করবেন।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
দাদির মৃত্যুর মর্মান্তিক সংবাদ পেয়ে পরিবারের কাছে দ্রুত ফিরে যাচ্ছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। রবিবার (১১ অক্টোবর) আটক অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই তিনি নিজের গ্রামের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন।
এর আগে তাকে রাজ্যসভার বিশিষ্ট সদস্য ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বলের বাসভবন থেকে বাইরে বের হতে দেখা যায়। মুক্তি পাওয়ার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দীপকে স্পষ্টভাবে বলেছেন, আমি এখন আমার বাড়ি ফিরে যাচ্ছি, কারণ আমার দাদি মারা গেছেন এবং এই শোকের সময়ে আমি অবশ্যই আমার পরিবারের সঙ্গে থাকতে চাই।
এছাড়া আমাদের দলের পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি আরও জানান যে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দুপুর ২টায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলন করবেন এবং সেখান থেকেই আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
দিল্লিতে শনিবারের উত্তাল বিক্ষোভ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নেওয়া কঠোর পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে অভিজিৎ দীপকে আরও বলেন, গত শনিবার ঠিক কী ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তা আজ গোটা দেশ তথা পুরো বিশ্ব নিজ চোখে দেখেছে। মূলত জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করার জন্যই শনিবার পুরো দিল্লি শহরকে একপ্রকার অচল করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জ্ঞানেশ কুমারের মধ্যে এমন কী বিশেষ বিষয় রয়েছে, যার জন্য তাকে রক্ষা করতে গিয়ে শনিবার লাখ লাখ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলতে হলো?
উল্লেখ্য, ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের জোরালো দাবিতে গত শনিবার দিল্লিতে এক বিশাল বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি ও বিভিন্ন বিরোধী দল। মূলত ভোটার তালিকায় ব্যাপক জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেই এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
তবে দিল্লি পুলিশ সেই বিক্ষোভের কোনো অনুমতি দেয়নি এবং পুরো কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক ও নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেই পুলিশ দীপকেসহ সিজেপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করেছিল।
এদিকে আটকের পর জেল বা পুলিশি বাধা থেকে মুক্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক জোরালো বার্তায় অভিজিৎ দীপকে দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই সিজেপি পিছু হটবে না এবং তারা কোনো হুমকি বা ভয়ভীতিকে পরোয়া করবে না।
তার ভাষায়, গত ১০ অক্টোবর তারিখটিকে এই স্বৈরাচারের অবসানের সূচনার দিন হিসেবে ইতিহাসের পাতায় মনে রাখা হবে। একই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে তিনি দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেন, সিজেপির সহ-সমন্বয়ক আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস খুব শীঘ্রই সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে রাজপথের আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি জাতির সামনে ঘোষণা করবেন।

আপনার মতামত লিখুন