মাদারীপুরে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা ১০ হাজার কেজি (১০ টন) অবৈধ পলিথিন নিলামে বিক্রি করেছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের পেছনে ওজন মেপে পলিথিনগুলো বস্তা থেকে বের করে টুকরো করা হয়। পরে নিলামে অংশ নেওয়া চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শাহজালাল প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং হাউসের প্রতিনিধির কাছে তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী এই নিলামে ৫টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান ৫ লাখ ৬৭ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে পলিথিনগুলো কিনে নেয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম জানান, জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এই অবৈধ পলিথিনগুলো জব্দ করা হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই নিলামের ব্যবস্থা করা হয়। নিলামপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এই টুকরো পলিথিনগুলো রিসাইকেলের পর বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে প্রক্রিয়াজাত করে নতুন পণ্য বা কাঁচামালে রূপান্তর করবে বলে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।
দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাহেদ কবির ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলামের উপস্থিতিতে পলিথিনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
মাদারীপুরে বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা ১০ হাজার কেজি (১০ টন) অবৈধ পলিথিন নিলামে বিক্রি করেছে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।
রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের পেছনে ওজন মেপে পলিথিনগুলো বস্তা থেকে বের করে টুকরো করা হয়। পরে নিলামে অংশ নেওয়া চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শাহজালাল প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং হাউসের প্রতিনিধির কাছে তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী এই নিলামে ৫টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান ৫ লাখ ৬৭ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে পলিথিনগুলো কিনে নেয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম জানান, জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এই অবৈধ পলিথিনগুলো জব্দ করা হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই নিলামের ব্যবস্থা করা হয়। নিলামপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এই টুকরো পলিথিনগুলো রিসাইকেলের পর বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে প্রক্রিয়াজাত করে নতুন পণ্য বা কাঁচামালে রূপান্তর করবে বলে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।
দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাহেদ কবির ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলামের উপস্থিতিতে পলিথিনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন