সংবাদ

রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রতিনিধি, রাজবাড়ী
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম

রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ছবি : সংবাদ

রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় মো. ফারুক হোসেন নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুটিকে স্বীকৃতি দিয়ে তাকে আইনিভাবে আসামির ওয়ারিশ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক হোসেন পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকার আহম্মদ খাঁর ছেলে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ মে রাতে একই এলাকার এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে খোকশায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে দুই মাস ধর্ষণ করেন ফারুক। পরবর্তীতে তাকে ঢাকায় নিয়ে চার মাস রাখা হয়। ভুক্তভোগী নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে সালিশে তাকে বিয়ে করতে রাজি হন ফারুক; কিন্তু পরে বিয়ে না করে তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর ওই নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা জানান, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রোববার দুপুরে আসামি মো. ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আদালতের রায় অনুযায়ী শিশুটির বয়স ২১ বছর হওয়া পর্যন্ত তার ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে। এ ছাড়া আসামির জৈবিক চাহিদায় জন্ম নেওয়া এই সন্তানকে আইনগতভাবে তার নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং ওয়ারিশ হিসেবে সে আসামির সমস্ত সম্পত্তির অধিকার পাবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় মো. ফারুক হোসেন নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুটিকে স্বীকৃতি দিয়ে তাকে আইনিভাবে আসামির ওয়ারিশ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে রাজবাড়ীর জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তহিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক হোসেন পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকার আহম্মদ খাঁর ছেলে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ মে রাতে একই এলাকার এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে খোকশায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে দুই মাস ধর্ষণ করেন ফারুক। পরবর্তীতে তাকে ঢাকায় নিয়ে চার মাস রাখা হয়। ভুক্তভোগী নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে সালিশে তাকে বিয়ে করতে রাজি হন ফারুক; কিন্তু পরে বিয়ে না করে তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর ওই নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা জানান, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রোববার দুপুরে আসামি মো. ফারুক হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আদালতের রায় অনুযায়ী শিশুটির বয়স ২১ বছর হওয়া পর্যন্ত তার ভরণপোষণ রাষ্ট্র বহন করবে। এ ছাড়া আসামির জৈবিক চাহিদায় জন্ম নেওয়া এই সন্তানকে আইনগতভাবে তার নিজের সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং ওয়ারিশ হিসেবে সে আসামির সমস্ত সম্পত্তির অধিকার পাবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত