ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধন ও সরকারি নীতিমালার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক ব্যাপক আন্দোলন ও বিক্ষোভ ঠেকাতে কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। নির্বিচারে গ্রেপ্তার, সাংবাদিক-আইনজীবী আটক এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো ঘটনার মুখেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, তার দেশ ‘গণতন্ত্রের জননী’।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যারের প্রতিবেদনে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ‘ব্লুমবার্গ নিউ ইকোনমি ফোরাম’-এ দীর্ঘ বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আন্দোলন দমনে পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকার মধ্যেই অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে তিনি বলেন, আসল প্রশ্ন কে ক্ষমতায় আছেন তা নয়, বরং ক্ষমতার ব্যবহার কীভাবে করা হচ্ছে সেটিই আসল বিষয়।
উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অন্তত ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে এই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্যে এই উদ্যোগ তীব্র উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বিক্ষোভ দমন করতে মোদি সরকার মধ্য দিল্লিজুড়ে অস্থায়ী আটককেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়।
এমন কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যেও সম্মেলনস্থলে মোদি ভারতীয়দের ডিজিটাল সক্ষমতা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের নানা চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত গণতন্ত্রের জননী; এখানে শতাধিক ভাষা, হাজারো নিবন্ধিত সংবাদপত্র এবং বিপুল সংখ্যক ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউব ব্যবহারকারী রয়েছেন, যারা নানা বিষয়ে প্রকাশ্যে মত বিনিময় করেন।
বক্তব্যে তিনি আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের ভারতের সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা নেওয়ার আহ্বান জানান। তবে বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন, প্রস্তাবিত ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেসে (ইউপিআই) ফি যুক্ত করার যে পরিকল্পনা ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা, তা সাধারণ ভোক্তাদের কেনাকাটায় আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধন ও সরকারি নীতিমালার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক ব্যাপক আন্দোলন ও বিক্ষোভ ঠেকাতে কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। নির্বিচারে গ্রেপ্তার, সাংবাদিক-আইনজীবী আটক এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো ঘটনার মুখেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, তার দেশ ‘গণতন্ত্রের জননী’।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যারের প্রতিবেদনে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ‘ব্লুমবার্গ নিউ ইকোনমি ফোরাম’-এ দীর্ঘ বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আন্দোলন দমনে পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকার মধ্যেই অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে তিনি বলেন, আসল প্রশ্ন কে ক্ষমতায় আছেন তা নয়, বরং ক্ষমতার ব্যবহার কীভাবে করা হচ্ছে সেটিই আসল বিষয়।
উল্লেখ্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অন্তত ১৩ কোটি নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে এই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গসহ একাধিক রাজ্যে এই উদ্যোগ তীব্র উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বিক্ষোভ দমন করতে মোদি সরকার মধ্য দিল্লিজুড়ে অস্থায়ী আটককেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়।
এমন কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যেও সম্মেলনস্থলে মোদি ভারতীয়দের ডিজিটাল সক্ষমতা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের নানা চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত গণতন্ত্রের জননী; এখানে শতাধিক ভাষা, হাজারো নিবন্ধিত সংবাদপত্র এবং বিপুল সংখ্যক ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউব ব্যবহারকারী রয়েছেন, যারা নানা বিষয়ে প্রকাশ্যে মত বিনিময় করেন।
বক্তব্যে তিনি আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের ভারতের সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা নেওয়ার আহ্বান জানান। তবে বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন, প্রস্তাবিত ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেসে (ইউপিআই) ফি যুক্ত করার যে পরিকল্পনা ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা, তা সাধারণ ভোক্তাদের কেনাকাটায় আর্থিক চাপ বাড়াতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন