সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে এখন উৎসবের আমেজ বইছে মুন্সীগঞ্জে। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দম ফেলার ফুরসত মিলছে না প্রতিমাশিল্পীদের। খড়, বাঁশ ও কাদামাটির নিপুণ ছোঁয়ায় দেবীকে রূপ দিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।
চলতি বছর মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬টি উপজেলায় মোট ৩৫৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৩টি, টঙ্গীবাড়ীতে ৫২টি, লৌহজংয়ে ৩৭টি, শ্রীনগরে ৮৫টি, গজারিয়ায় ১০টি এবং সিরাজদিখান উপজেলায় সর্বোচ্চ ১৩১টি পূজামণ্ডপে পূজা উদযাপিত হবে।
উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানান, দেবী দুর্গার আরাধনার মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় থাকুক - এটাই তাদের প্রধান প্রার্থনা। যেন সবার জীবন থেকে সকল দুর্গতি কেটে গিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।
মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুরের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গৌরবময় ঐতিহ্য তুলে ধরে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানান, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইতোমধ্যে একাধিক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এবারও শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।
বর্তমানে কারিগরদের কর্মব্যস্ততা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কাদা শুকানোর পর এবার রং-তুলির আঁচড়ে প্রতিমাগুলোকে ফুটিয়ে তোলা হবে জীবন্ত রূপে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব প্রতিমা মণ্ডপে পৌঁছে দিতে পুরোদমে কাজ করে চলেছেন শিল্পীরা।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে এখন উৎসবের আমেজ বইছে মুন্সীগঞ্জে। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দম ফেলার ফুরসত মিলছে না প্রতিমাশিল্পীদের। খড়, বাঁশ ও কাদামাটির নিপুণ ছোঁয়ায় দেবীকে রূপ দিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা।
চলতি বছর মুন্সীগঞ্জ জেলার ৬টি উপজেলায় মোট ৩৫৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৪৩টি, টঙ্গীবাড়ীতে ৫২টি, লৌহজংয়ে ৩৭টি, শ্রীনগরে ৮৫টি, গজারিয়ায় ১০টি এবং সিরাজদিখান উপজেলায় সর্বোচ্চ ১৩১টি পূজামণ্ডপে পূজা উদযাপিত হবে।
উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানান, দেবী দুর্গার আরাধনার মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় থাকুক - এটাই তাদের প্রধান প্রার্থনা। যেন সবার জীবন থেকে সকল দুর্গতি কেটে গিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।
মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুরের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গৌরবময় ঐতিহ্য তুলে ধরে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানান, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইতোমধ্যে একাধিক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এবারও শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।
বর্তমানে কারিগরদের কর্মব্যস্ততা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কাদা শুকানোর পর এবার রং-তুলির আঁচড়ে প্রতিমাগুলোকে ফুটিয়ে তোলা হবে জীবন্ত রূপে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব প্রতিমা মণ্ডপে পৌঁছে দিতে পুরোদমে কাজ করে চলেছেন শিল্পীরা।

আপনার মতামত লিখুন