কক্সবাজারের টেকনাফের ইনানীতে একটি পর্যটন রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ছয়জনসহ মোট নয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিনড্রাইভ সড়কের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার ‘টুপটুপ’ নামক রিসোর্টে এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পর্যটন নগরী কক্সবাজার ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ঢাকার বনশ্রী এলাকা থেকে ওই পরিবারটি ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে এসে ওঠেন। নয় সদস্যের পরিবারটি উল্লাসে দিন কাটালেও শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোরে হঠাৎ করেই রিসোর্টে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো রিসোর্ট আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও উখিয়া ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
অগ্নিকাণ্ডে নিহত ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা আশিকুলের পরিবারের সদস্যরা হলেন ফারিয়া কবির (৩৩), নাফিজ ইজাত হামিদ (৫), শিশু ফায়জান, মিথিলা মেহজাবিন (২৩), লাইলা জাহান নাবিলা (২৪) ও মালিহা (২৮)। এ ঘটনায় পরিবারের বাকি তিনজনকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া এই দুর্ঘটনায় রিসোর্টের আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পন্নী আক্তার জানান, রিসোর্টটিতে আশিকুলের পরিবারের নয় সদস্য অবস্থান করছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বাকি তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
উখিয়া থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বেলা ১১টার দিকে জানান, রিসোর্টের রেজিস্টারে মোট ২৭ জন পর্যটকের নাম এন্ট্রি ছিল। অগ্নিকাণ্ডের সময় তাদের মধ্যে নয়জন রিসোর্টের বাইরে অবস্থান করছিলেন। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের উদ্ধার তৎপরতা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডে মোট হতাহত ও ক্ষয়খতির চূড়ান্ত বিবরণ জানানো সম্ভব নয়।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, “দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতরা সবাই মূলত পর্যটক ছিলেন। প্রাথমিক ধারণামাত্র, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুলা থেকে এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত ঘটে থাকতে পারে।”
তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও বিস্তারিত তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফের ইনানীতে একটি পর্যটন রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ছয়জনসহ মোট নয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিনড্রাইভ সড়কের পাটুয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার ‘টুপটুপ’ নামক রিসোর্টে এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পর্যটন নগরী কক্সবাজার ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ঢাকার বনশ্রী এলাকা থেকে ওই পরিবারটি ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে এসে ওঠেন। নয় সদস্যের পরিবারটি উল্লাসে দিন কাটালেও শনিবার (১৭ অক্টোবর) ভোরে হঠাৎ করেই রিসোর্টে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো রিসোর্ট আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও উখিয়া ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
অগ্নিকাণ্ডে নিহত ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা আশিকুলের পরিবারের সদস্যরা হলেন ফারিয়া কবির (৩৩), নাফিজ ইজাত হামিদ (৫), শিশু ফায়জান, মিথিলা মেহজাবিন (২৩), লাইলা জাহান নাবিলা (২৪) ও মালিহা (২৮)। এ ঘটনায় পরিবারের বাকি তিনজনকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া এই দুর্ঘটনায় রিসোর্টের আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পন্নী আক্তার জানান, রিসোর্টটিতে আশিকুলের পরিবারের নয় সদস্য অবস্থান করছিলেন। তাদের মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বাকি তিনজনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
উখিয়া থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বেলা ১১টার দিকে জানান, রিসোর্টের রেজিস্টারে মোট ২৭ জন পর্যটকের নাম এন্ট্রি ছিল। অগ্নিকাণ্ডের সময় তাদের মধ্যে নয়জন রিসোর্টের বাইরে অবস্থান করছিলেন। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের উদ্ধার তৎপরতা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডে মোট হতাহত ও ক্ষয়খতির চূড়ান্ত বিবরণ জানানো সম্ভব নয়।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, “দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতরা সবাই মূলত পর্যটক ছিলেন। প্রাথমিক ধারণামাত্র, রিসোর্টের রান্নাঘরের চুলা থেকে এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত ঘটে থাকতে পারে।”
তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান ও বিস্তারিত তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন