ঢাকার দোহার উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে পদ্মা নদীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৮১ হাজার ১০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে প্রশাসন। জব্দ করা এসব জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ ধরার অপরাধে আট জেলেকে আটক এবং ১০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন মেঘুলা ও নারিশা এলাকার পদ্মা নদীতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দোহার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও কুতুবপুর নৌ পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে মেঘুলা ও নারিশা এলাকা থেকে ১ হাজার ১০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ১টি নৌকাসহ আট জেলেকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত দুটি মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একই সময়ে পৃথক একটি অভিযানে নারিশা এলাকার পদ্মা নদীর চরে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ২ লাখ ৮০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়।
পরে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কার্তিকপুর মৈনটঘাট নদীপারে স্থানীয় লোকজনের সামনে উদ্ধার করা সব অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া জব্দ হওয়া ১০ কেজি ইলিশ মাছ স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।
দোহার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা মুন্নী বলেন, 'মা ইলিশ রক্ষায় ও জনস্বার্থে আমাদের এ ধরনের ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে।'

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার দোহার উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে পদ্মা নদীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ২ লাখ ৮১ হাজার ১০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে প্রশাসন। জব্দ করা এসব জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ ধরার অপরাধে আট জেলেকে আটক এবং ১০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুতুবপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন মেঘুলা ও নারিশা এলাকার পদ্মা নদীতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দোহার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও কুতুবপুর নৌ পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে মেঘুলা ও নারিশা এলাকা থেকে ১ হাজার ১০০ মিটার কারেন্ট জাল ও ১টি নৌকাসহ আট জেলেকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত দুটি মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
একই সময়ে পৃথক একটি অভিযানে নারিশা এলাকার পদ্মা নদীর চরে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ২ লাখ ৮০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়।
পরে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে কার্তিকপুর মৈনটঘাট নদীপারে স্থানীয় লোকজনের সামনে উদ্ধার করা সব অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ ছাড়া জব্দ হওয়া ১০ কেজি ইলিশ মাছ স্থানীয় এতিমখানা ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।
দোহার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা মুন্নী বলেন, 'মা ইলিশ রক্ষায় ও জনস্বার্থে আমাদের এ ধরনের ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে।'

আপনার মতামত লিখুন