ঢাকার দোহার উপজেলায় প্রয়াত কৃষক দম্পতি আবুল কালাম আজাদ ও ফরিদা বেগমের মাতৃহীন-পিতৃহীন পাঁচ কন্যার পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রহিম শিলা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে প্রয়াত ওই দম্পতির বাড়িতে যান তিনি। সেখানে এতিম পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
সহায়তা প্রদানকালে শামীমা রহিম শিলা ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে এই অসহায় পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে সমাজের বৃত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের প্রতিও এতিম পাঁচ কন্যার পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর ও নিরাপদ করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, মা-বাবাকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া পাঁচ বোনের জীবনে সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে খানিকটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনা এবং তাদের ভবিষ্যতের পথচলাকে সহজ করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে চরম অভাব-অনটন ও ঋণের বোঝার চাপে মাত্র ৩১ দিনের ব্যবধানে কৃষক আবুল কালাম আজাদ ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম মৃত্যুবরণ করেন। প্রথমে ফরিদা বেগম অসুস্থ হয়ে মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর ঠিক এক মাস পর গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে তালাবদ্ধ বসতঘর থেকে স্বামী আবুল কালাম আজাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
এই কৃষক দম্পতি ৫ বছর বয়সী এক শিশু কন্যাসহ মোট পাঁচজন কন্যাসন্তান রেখে গেছেন। তাদের মধ্যে একজনের বিয়ে হলেও মা-বাবাকে হারিয়ে এবং চরম অভাবের কারণে বাকি চার মেয়ের ভবিষ্যৎ গভীর অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার দোহার উপজেলায় প্রয়াত কৃষক দম্পতি আবুল কালাম আজাদ ও ফরিদা বেগমের মাতৃহীন-পিতৃহীন পাঁচ কন্যার পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রহিম শিলা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে প্রয়াত ওই দম্পতির বাড়িতে যান তিনি। সেখানে এতিম পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
সহায়তা প্রদানকালে শামীমা রহিম শিলা ভবিষ্যতে যেকোনো প্রয়োজনে এই অসহায় পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে সমাজের বৃত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের প্রতিও এতিম পাঁচ কন্যার পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর ও নিরাপদ করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, মা-বাবাকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া পাঁচ বোনের জীবনে সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে খানিকটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনা এবং তাদের ভবিষ্যতের পথচলাকে সহজ করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে চরম অভাব-অনটন ও ঋণের বোঝার চাপে মাত্র ৩১ দিনের ব্যবধানে কৃষক আবুল কালাম আজাদ ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগম মৃত্যুবরণ করেন। প্রথমে ফরিদা বেগম অসুস্থ হয়ে মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর ঠিক এক মাস পর গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে তালাবদ্ধ বসতঘর থেকে স্বামী আবুল কালাম আজাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
এই কৃষক দম্পতি ৫ বছর বয়সী এক শিশু কন্যাসহ মোট পাঁচজন কন্যাসন্তান রেখে গেছেন। তাদের মধ্যে একজনের বিয়ে হলেও মা-বাবাকে হারিয়ে এবং চরম অভাবের কারণে বাকি চার মেয়ের ভবিষ্যৎ গভীর অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন