আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেকে ফরিদগঞ্জের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করায় চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে মো. মহিউদ্দিন নামে এক সংবাদকর্মীর ওপর রক্তাক্ত হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শুধু হামলাই নয়, হামলার পর তাকে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলেও জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ বাজারের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মো. মহিউদ্দিন দৈনিক ইত্তেফাক-এর ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, “পৌরসভা নির্বাচনে আমি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছিলাম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিদগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুল পাটোয়ারী ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।”
মহিউদ্দিন ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, “হামলাকারীরা আমাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে এবং এক ঘণ্টারও বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সহায়তায় উদ্ধার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই। আমি এই হামলার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
বিষয়টি জানতে পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুল পাটোয়ারীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বা অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ঋষিকেষ বলেন, “একজন পেশাদার সাংবাদিকের ওপর এভাবে প্রকাশ্যে হামলা ও দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ রাখার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের।”
ঋষিকেষ আরও বলেন, “ফরিদগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এরশাদ উল্যা বলেন, “ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত সাংবাদিক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেকে ফরিদগঞ্জের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করায় চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে মো. মহিউদ্দিন নামে এক সংবাদকর্মীর ওপর রক্তাক্ত হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। শুধু হামলাই নয়, হামলার পর তাকে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয় বলেও জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ বাজারের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত মো. মহিউদ্দিন দৈনিক ইত্তেফাক-এর ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সাংবাদিক মহিউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, “পৌরসভা নির্বাচনে আমি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে আসছিলাম। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফরিদগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুল পাটোয়ারী ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।”
মহিউদ্দিন ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, “হামলাকারীরা আমাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে এবং এক ঘণ্টারও বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সহায়তায় উদ্ধার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই। আমি এই হামলার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
বিষয়টি জানতে পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুল পাটোয়ারীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বা অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ঋষিকেষ বলেন, “একজন পেশাদার সাংবাদিকের ওপর এভাবে প্রকাশ্যে হামলা ও দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ রাখার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের।”
ঋষিকেষ আরও বলেন, “ফরিদগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এরশাদ উল্যা বলেন, “ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত সাংবাদিক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন