সংবাদ

‘হুজুরদের পণ্য বিক্রির নিনজা টেকনিক দেখে ভয় পেলাম’


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

‘হুজুরদের পণ্য বিক্রির নিনজা টেকনিক দেখে ভয় পেলাম’

জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী নায়লা নাঈম সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে অনলাইন বিজ্ঞাপন নিয়ে চরম বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ভুলবশত ইউটিউবের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন সময়মতো নবায়ন না করায় গত দুই দিন ধরে বিজ্ঞাপনের যন্ত্রণায় রীতিমতো অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন তিনি। আর এই স্বল্প সময়ে বিজ্ঞাপনের আড়ালে চলা বিভিন্ন কৌশলী প্রচারণা দেখে তিনি অবাক ও আতঙ্কিত হয়েছেন।

নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে নায়লা নাঈম তার নিজস্ব ভঙ্গিতে লিখেছেন, ‘আল্লারে আল্লাহ! দুই দিন ধরে হুজুরদের পণ্য বিক্রির নিনজা টেকনিক দেখতে দেখতে আমি ভয় পেয়ে গেছি, কবে জানি মাশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বলে আমারেই বিক্রি করে দেয়!’

তার এই রসাত্মক অথচ তীব্র সমালোচনামূলক মন্তব্যটি মুহূর্তেই ভার্চুয়াল জগতে আলোচনার ঝড় তোলে। বিশেষ করে ধর্মীয় শব্দ ও লেবাস ব্যবহার করে অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির কৌশল নিয়ে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন।

পণ্যের মান এবং বিপণন কৌশল নিয়ে কটাক্ষ করে এই মডেল আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমে চলা এসব প্রচারে প্রায় একই ধরনের অভিনব ও বিভ্রান্তিকর কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে। পণ্যের গুণগত মান, বিএসটিআই বা সরকারি যথাযথ অনুমোদন সঠিকভাবে নিশ্চিত না করেই শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুভূতি ও শব্দমালা ব্যবহার করে সাধারণ ক্রেতাদের আকর্ষণ করা হচ্ছে।

খাবারের মান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, খাবারের স্বাস্থ্য মানের কোনো বালাই নেই, শুধু মুখে ঢুকিয়ে যে এক্সপ্রেশন দিচ্ছে, তাদের মনে হচ্ছে তারা এক একজনের বিশাল বিশাল ল্যাব অলিগলি চিপাতে আছে! এ ধরনের অসত্য ও চটকদার প্রচার দেখে চরম বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি মন্তব্য করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি সত্যিই বড়ই অদ্ভুত ও আশঙ্কাজনক।

শেষ পর্যন্ত এই অতিরিক্ত বিজ্ঞাপনের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে নগদ অর্থ খরচ করে তিনি নিজেই ইউটিউবের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন কিনে নিয়েছেন বলে জানান। রসিকতা করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘নগদ সাবস্ক্রিপশন কিনে ফেললাম! এই অত্যাচার সহ্য করার মতো নয়! পরে দেখা যাবে আমার ‘কাতানা’কেও বেঁচে দিছে!’

নায়লা নাঈমের এই খোলামেলা স্ট্যাটাসে মূলত ধর্মীয় পরিচিতি ও আবেগ ব্যবহার করে অনলাইনে পণ্যের অবাধ প্রচার, ডিজিটাল বিপণনের নানা কৌশল এবং খাদ্যপণ্যের মান সঠিকভাবে যাচাই করার বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উঠে এসেছে। যদিও তার এই অভিযোগে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অনিয়মের সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতন মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


‘হুজুরদের পণ্য বিক্রির নিনজা টেকনিক দেখে ভয় পেলাম’

প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী নায়লা নাঈম সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে অনলাইন বিজ্ঞাপন নিয়ে চরম বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ভুলবশত ইউটিউবের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন সময়মতো নবায়ন না করায় গত দুই দিন ধরে বিজ্ঞাপনের যন্ত্রণায় রীতিমতো অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন তিনি। আর এই স্বল্প সময়ে বিজ্ঞাপনের আড়ালে চলা বিভিন্ন কৌশলী প্রচারণা দেখে তিনি অবাক ও আতঙ্কিত হয়েছেন।

নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে নায়লা নাঈম তার নিজস্ব ভঙ্গিতে লিখেছেন, ‘আল্লারে আল্লাহ! দুই দিন ধরে হুজুরদের পণ্য বিক্রির নিনজা টেকনিক দেখতে দেখতে আমি ভয় পেয়ে গেছি, কবে জানি মাশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ বলে আমারেই বিক্রি করে দেয়!’

তার এই রসাত্মক অথচ তীব্র সমালোচনামূলক মন্তব্যটি মুহূর্তেই ভার্চুয়াল জগতে আলোচনার ঝড় তোলে। বিশেষ করে ধর্মীয় শব্দ ও লেবাস ব্যবহার করে অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রির কৌশল নিয়ে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন।

পণ্যের মান এবং বিপণন কৌশল নিয়ে কটাক্ষ করে এই মডেল আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমে চলা এসব প্রচারে প্রায় একই ধরনের অভিনব ও বিভ্রান্তিকর কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে। পণ্যের গুণগত মান, বিএসটিআই বা সরকারি যথাযথ অনুমোদন সঠিকভাবে নিশ্চিত না করেই শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুভূতি ও শব্দমালা ব্যবহার করে সাধারণ ক্রেতাদের আকর্ষণ করা হচ্ছে।

খাবারের মান নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, খাবারের স্বাস্থ্য মানের কোনো বালাই নেই, শুধু মুখে ঢুকিয়ে যে এক্সপ্রেশন দিচ্ছে, তাদের মনে হচ্ছে তারা এক একজনের বিশাল বিশাল ল্যাব অলিগলি চিপাতে আছে! এ ধরনের অসত্য ও চটকদার প্রচার দেখে চরম বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি মন্তব্য করেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি সত্যিই বড়ই অদ্ভুত ও আশঙ্কাজনক।

শেষ পর্যন্ত এই অতিরিক্ত বিজ্ঞাপনের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে নগদ অর্থ খরচ করে তিনি নিজেই ইউটিউবের প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন কিনে নিয়েছেন বলে জানান। রসিকতা করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘নগদ সাবস্ক্রিপশন কিনে ফেললাম! এই অত্যাচার সহ্য করার মতো নয়! পরে দেখা যাবে আমার ‘কাতানা’কেও বেঁচে দিছে!’

নায়লা নাঈমের এই খোলামেলা স্ট্যাটাসে মূলত ধর্মীয় পরিচিতি ও আবেগ ব্যবহার করে অনলাইনে পণ্যের অবাধ প্রচার, ডিজিটাল বিপণনের নানা কৌশল এবং খাদ্যপণ্যের মান সঠিকভাবে যাচাই করার বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে উঠে এসেছে। যদিও তার এই অভিযোগে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, ব্র্যান্ড বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অনিয়মের সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতন মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত