মজুরি বৃদ্ধি ও বাড়িভাড়ার সামঞ্জস্য বিধানের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে সব ধরনের যানবাহন চলাচল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কালিয়াকৈরের ‘এসেনশিয়াল ক্লোথিং লিমিটেড’ নামক কারখানার শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে প্রথম আন্দোলন শুরু করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকরা কারখানা থেকে বেরিয়ে মিছিল নিয়ে কালিয়াকৈর-ফুলবাড়িয়া সড়কে অবস্থান নেন। পরে তারা আশপাশের আরও ৮ থেকে ১০টি পোশাক কারখানায় ছুটির দাবিতে চাপ সৃষ্টি করেন এবং কিছু কারখানার ফটকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে বেশ কয়েকটি কারখানা কর্তৃপক্ষ সাময়িক ছুটি ঘোষণা করলে সেই কারখানার শ্রমিকরাও এসে মূল আন্দোলনে যোগ দেন।
আন্দোলনরত শ্রমিকদের বক্তব্য, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি ঘরভাড়া বহুগুণ বাড়লেও তাদের মজুরি দীর্ঘদিন ধরে বাড়েনি। বাধ্য হয়েই তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
শিল্প পুলিশ গাজীপুরের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, মৌচাক পয়েন্টে শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রাখায় সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
/

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
মজুরি বৃদ্ধি ও বাড়িভাড়ার সামঞ্জস্য বিধানের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে সব ধরনের যানবাহন চলাচল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কালিয়াকৈরের ‘এসেনশিয়াল ক্লোথিং লিমিটেড’ নামক কারখানার শ্রমিকরা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে প্রথম আন্দোলন শুরু করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকরা কারখানা থেকে বেরিয়ে মিছিল নিয়ে কালিয়াকৈর-ফুলবাড়িয়া সড়কে অবস্থান নেন। পরে তারা আশপাশের আরও ৮ থেকে ১০টি পোশাক কারখানায় ছুটির দাবিতে চাপ সৃষ্টি করেন এবং কিছু কারখানার ফটকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে বেশ কয়েকটি কারখানা কর্তৃপক্ষ সাময়িক ছুটি ঘোষণা করলে সেই কারখানার শ্রমিকরাও এসে মূল আন্দোলনে যোগ দেন।
আন্দোলনরত শ্রমিকদের বক্তব্য, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি ঘরভাড়া বহুগুণ বাড়লেও তাদের মজুরি দীর্ঘদিন ধরে বাড়েনি। বাধ্য হয়েই তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
শিল্প পুলিশ গাজীপুরের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, মৌচাক পয়েন্টে শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে রাখায় সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
/

আপনার মতামত লিখুন