সংবাদ

মসজিদ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট ও ঘরে আগুন


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, মাদারীপুর
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, মাদারীপুর
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

মসজিদ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট ও ঘরে আগুন
হামলার সময় প্রতিপক্ষের অন্তত ৭টি ঘরে আগুন এবং ৩০টি বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলায় মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রতিপক্ষের অন্তত সাতটি ঘরে অগ্নিসংযোগ এবং তিনটি বাড়ির প্রায় ৩০টি ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এই হামলায় তাদের কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে একপক্ষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে সদর উপজেলার বাহেরান্দী জামে মসজিদের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে মোশারফ ফকিরকে সভাপতি করা হলে স্থানীয় বাসিন্দা বাচ্চু মোড়ল এর বিরোধিতা করেন। নিজে সভাপতি হওয়ার দাবি তুলে তিনি বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে এর আগেও বাচ্চু মোড়ল ও সাবেক ইউপি সদস্য এমদাদ মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ভোরে শতাধিক লোক নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এমদাদ মাতুব্বরের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালান বাচ্চু মোড়লের কর্মী-সমর্থকেরা। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই তাণ্ডবে ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য তামিম মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, 'পুলিশ একপক্ষের সহযোগিতা নিয়ে আমাদের বাড়িঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়। এরপর প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের বাড়িঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।'

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


মসজিদ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর-লুটপাট ও ঘরে আগুন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মাদারীপুর সদর উপজেলায় মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রতিপক্ষের অন্তত সাতটি ঘরে অগ্নিসংযোগ এবং তিনটি বাড়ির প্রায় ৩০টি ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, এই হামলায় তাদের কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে একপক্ষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন ভুক্তভোগীরা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে সদর উপজেলার বাহেরান্দী জামে মসজিদের কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে মোশারফ ফকিরকে সভাপতি করা হলে স্থানীয় বাসিন্দা বাচ্চু মোড়ল এর বিরোধিতা করেন। নিজে সভাপতি হওয়ার দাবি তুলে তিনি বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে এর আগেও বাচ্চু মোড়ল ও সাবেক ইউপি সদস্য এমদাদ মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ভোরে শতাধিক লোক নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এমদাদ মাতুব্বরের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালান বাচ্চু মোড়লের কর্মী-সমর্থকেরা। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই তাণ্ডবে ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য তামিম মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, 'পুলিশ একপক্ষের সহযোগিতা নিয়ে আমাদের বাড়িঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়। এরপর প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের বাড়িঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।'

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত