দেশে ডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু ও হামের উপসর্গে মিলিয়ে মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলাদা দুটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে ছয়জনের এবং হামের উপসর্গে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয়জন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৮৬ জন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৫ জন মারা গেছেন। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৩২ হাজার ১০৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন করে এবং খুলনা ও রংপুর বিভাগে একজন করে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩১৫ জন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ২৫১ জন শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৪ জনের। এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক হাজার ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত হয়েছেন দুই লাখ ২৬ হাজার ৩৫৭ জন। অন্যদিকে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৬৯৫ জনের। নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৫ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই লাখ এক হাজার ৪৬৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৯৩ হাজার ৩০১ জন।
বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমেনি। এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস না হওয়া এবং সিটি করপোরেশনগুলোর মশক নিধন কার্যক্রমে ঘাটতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, করোনাকালে টিকাদান কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে সচেতনতার অভাব হাম সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
দেশে ডেঙ্গু ও হাম পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু ও হামের উপসর্গে মিলিয়ে মোট ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আলাদা দুটি প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে ছয়জনের এবং হামের উপসর্গে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ছয়জন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৮৬ জন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৫ জন মারা গেছেন। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৩২ হাজার ১০৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন করে এবং খুলনা ও রংপুর বিভাগে একজন করে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩১৫ জন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ২৫১ জন শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৪ জনের। এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট এক হাজার ১৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত হয়েছেন দুই লাখ ২৬ হাজার ৩৫৭ জন। অন্যদিকে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৬৯৫ জনের। নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৫ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই লাখ এক হাজার ৪৬৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৯৩ হাজার ৩০১ জন।
বর্ষা মৌসুম শেষ হলেও ডেঙ্গুর প্রকোপ কমেনি। এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস না হওয়া এবং সিটি করপোরেশনগুলোর মশক নিধন কার্যক্রমে ঘাটতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে, করোনাকালে টিকাদান কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে সচেতনতার অভাব হাম সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

আপনার মতামত লিখুন