প্রকৃতির কোলে বসে শুধু শরীর নয়, বরং মনকে সুস্থ রাখার আহ্বানে রাজধানীর রমনা পার্কে মহাসমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইয়োগা অ্যালায়েন্স।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে আয়োজিত এ সমাবেশে শতাধিক মানুষ একসঙ্গে যোগচর্চায় অংশ নেন। প্রশিক্ষকের নেতৃত্বে যোগচর্চার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠান শেষ হয় একটি সেমিনারের মাধ্যমে।
যোগব্যায়ামের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতেই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। বর্তমানে অনেকে নানা ভঙ্গিতে যোগচর্চা করলেও সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই বলে মন্তব্য করেন সংগঠনটির সভাপতি হারুন আর রশীদ।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ইয়োগা করে থাকি। কিন্তু তা অনেক সময় ইয়োগা হয় না। ফলে ইয়োগা কীভাবে করতে হবে বা ইয়োগার সঠিক পদ্ধতি কী, তা অনেকে জানেন না। তাই সবাইকে ইয়োগা সম্পর্কে জানাতে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি করে আসছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য—মানুষ যেন সুস্থ থাকে, রোগমুক্ত থাকে। সে জন্য ইয়োগাকে ছড়িয়ে দেওয়া।’
সেমিনারে যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক দেবু চৌধুরী মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার ক্ষেত্রে শ্বাসপ্রশ্বাসের চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রকৃতির বাইরে কেউ নই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিও পরিবর্তন হয়। ফলে প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের জীবনযাপনের পদ্ধতি ও মানসিকতা দুটোই পরিবর্তিত হয়। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে সুস্থ রাখতেই এই ইয়োগা করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইয়োগার ভিন্ন ভিন্ন দর্শন আছে। তবে ইয়োগার মূল চর্চা হচ্ছে শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ। শ্বাসপ্রশ্বাসকে যদি কেউ চর্চার মধ্যে রাখে, তাহলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পায়। যেমন, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে রক্তচাপ, অ্যালার্জি ও নার্ভের যথাযথ সক্রিয়তার কারণে যেসব সমস্যা হয়, তা আস্তে আস্তে সেরে যায়।’
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ৬৭ বছর বয়সি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম হামিদ বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে ইয়োগা করি। আমার চিকিৎসকের কাছে যেতে হয় না। আমার ডায়াবেটিস ছিল। ফ্যাটি লিভার ছিল। কোলেস্টেরলসহ নানা সমস্যা ছিল। তবে এখন আমি কোনো ওষুধ না নিয়েই সুস্থ আছি।’

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকৃতির কোলে বসে শুধু শরীর নয়, বরং মনকে সুস্থ রাখার আহ্বানে রাজধানীর রমনা পার্কে মহাসমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ইয়োগা অ্যালায়েন্স।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে আয়োজিত এ সমাবেশে শতাধিক মানুষ একসঙ্গে যোগচর্চায় অংশ নেন। প্রশিক্ষকের নেতৃত্বে যোগচর্চার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠান শেষ হয় একটি সেমিনারের মাধ্যমে।
যোগব্যায়ামের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতেই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। বর্তমানে অনেকে নানা ভঙ্গিতে যোগচর্চা করলেও সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই বলে মন্তব্য করেন সংগঠনটির সভাপতি হারুন আর রশীদ।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন ইয়োগা করে থাকি। কিন্তু তা অনেক সময় ইয়োগা হয় না। ফলে ইয়োগা কীভাবে করতে হবে বা ইয়োগার সঠিক পদ্ধতি কী, তা অনেকে জানেন না। তাই সবাইকে ইয়োগা সম্পর্কে জানাতে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি করে আসছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য—মানুষ যেন সুস্থ থাকে, রোগমুক্ত থাকে। সে জন্য ইয়োগাকে ছড়িয়ে দেওয়া।’
সেমিনারে যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক দেবু চৌধুরী মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার ক্ষেত্রে শ্বাসপ্রশ্বাসের চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রকৃতির বাইরে কেউ নই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিও পরিবর্তন হয়। ফলে প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের জীবনযাপনের পদ্ধতি ও মানসিকতা দুটোই পরিবর্তিত হয়। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে সুস্থ রাখতেই এই ইয়োগা করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইয়োগার ভিন্ন ভিন্ন দর্শন আছে। তবে ইয়োগার মূল চর্চা হচ্ছে শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ। শ্বাসপ্রশ্বাসকে যদি কেউ চর্চার মধ্যে রাখে, তাহলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পায়। যেমন, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে রক্তচাপ, অ্যালার্জি ও নার্ভের যথাযথ সক্রিয়তার কারণে যেসব সমস্যা হয়, তা আস্তে আস্তে সেরে যায়।’
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ৬৭ বছর বয়সি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম হামিদ বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে ইয়োগা করি। আমার চিকিৎসকের কাছে যেতে হয় না। আমার ডায়াবেটিস ছিল। ফ্যাটি লিভার ছিল। কোলেস্টেরলসহ নানা সমস্যা ছিল। তবে এখন আমি কোনো ওষুধ না নিয়েই সুস্থ আছি।’

আপনার মতামত লিখুন