সংবাদ

এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা বাড়ল ৩ বছর


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম

এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা বাড়ল ৩ বছর
প্রতীকী ছবি

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময়সীমা আরও তিন বছর বাড়ানোর প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। এই আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত এলডিসি উত্তরণের সময় পেল বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনীতি ও দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের জন্য এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্ধিত এই মেয়াদের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা হারানোর ধাক্কা সামলে ওঠার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান জানান, এলডিসি থেকে বের হয়ে আসা কেবল একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ নয়, বরং এটি এ দেশের আপামর জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ও জাতীয় অগ্রাধিকার। সরকার এই লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক সংঘাত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা ও জ্বালানি সংকটের মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো বিবেচনায় নিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন জানায়। পরবর্তীতে জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি (সিডিপি) এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)-এর চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে সাধারণ পরিষদ এই অনুমোদন প্রদান করে। বর্ধিত তিন বছরের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন, অবকাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা ও প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে রূপরেখা প্রণয়ন করেছে সরকার।

/ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা বাড়ল ৩ বছর

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময়সীমা আরও তিন বছর বাড়ানোর প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। এই আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত এলডিসি উত্তরণের সময় পেল বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনীতি ও দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের জন্য এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্ধিত এই মেয়াদের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা হারানোর ধাক্কা সামলে ওঠার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান জানান, এলডিসি থেকে বের হয়ে আসা কেবল একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ নয়, বরং এটি এ দেশের আপামর জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ও জাতীয় অগ্রাধিকার। সরকার এই লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক সংঘাত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা ও জ্বালানি সংকটের মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলো বিবেচনায় নিয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন জানায়। পরবর্তীতে জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি (সিডিপি) এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)-এর চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে সাধারণ পরিষদ এই অনুমোদন প্রদান করে। বর্ধিত তিন বছরের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন, অবকাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা ও প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে রূপরেখা প্রণয়ন করেছে সরকার।

/ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত