সংবাদ

তাহসিফের ‘বন্ধু’ দ্বীপ পিবিআই হেফাজতে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭ এএম

তাহসিফের ‘বন্ধু’ দ্বীপ পিবিআই হেফাজতে
বাসার সিসিটিভি ফুটেজে তাহসিফের সঙ্গে দ্বীপ।

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পিবিআই জানায়, গতরাতে দ্বীপকে তথ্য সংগ্রহের জন্য পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর শাখায় নেওয়া হয়েছে। যেহেতু ঘটনার সময় দুজন একসঙ্গে ছিলেন, তাই তারা কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন—তা নিয়ে দ্বীপের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই চলছে।

গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তুরাগ নদের রাজাবাড়ি ঘাটসংলগ্ন নদ থেকে তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

তাহসিফ সাউরির স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর বয়সে তার চেয়ে ছোট তবে বন্ধুস্থানীয় আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ নামে একজন বাসার নিচে এসে তাহসিফকে ডাকেন। তাহসিফ তার মাকে জানান, দ্বীপের সঙ্গে কথা বলে বাসায় ফিরে আসবেন। তবে বাসার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তাহসিফ মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হচ্ছেন। দ্বীপ ছিলেন আলাদা মোটরসাইকেলে।

রাতে ছেলের বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় মা একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে পাননি। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে মায়ের মোবাইল ফোনে একটি বার্তা আসে। তাতে বলা হয়, ‘মা, আসছি’। কিন্তু তিনি আর ফেরেননি।

তবে তাহসিফের এক নিকটাত্মীয় দাবি করেছেন, সবশেষ পাঠানো ভয়েজ মেসেজটি তার কাছে তাহসিফের বলে মনে হয়নি। তাহসিফের বাবা বলেছেন, ভয়েজ মেসেজটি শুনে ছেলেকে ব্যস্ত মনে হয়েছিল তার।

যার ডাকে বাসা থেকে বের হয়েছেন, তাহসিফের বন্ধুস্থানীয় সেই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাহসিফের মোটরসাইকেল মেরামতের জন্য গ্যারেজে যান তারা। সেখান থেকে উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খান। এরপর দুজন নিজ নিজ মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। উত্তরা হাউস বিল্ডিং এলাকা পর্যন্ত একসঙ্গে ছিলেন তিনি।

দ্বীপ জানান, রাত আনুমানিক ১২টার দিকে দুজন আলাদা হয়ে যান। এরপর তিনি নিজ বাসায় ফেরেন। তাহসিফের বিষয়ে আর কিছু জানেন না।

উল্লেখ্য, দ্বীপ একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তার বাসা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এলাকায়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


তাহসিফের ‘বন্ধু’ দ্বীপ পিবিআই হেফাজতে

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) মৃত্যুর ঘটনায় তার বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পিবিআই জানায়, গতরাতে দ্বীপকে তথ্য সংগ্রহের জন্য পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর শাখায় নেওয়া হয়েছে। যেহেতু ঘটনার সময় দুজন একসঙ্গে ছিলেন, তাই তারা কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন—তা নিয়ে দ্বীপের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই চলছে।

গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তুরাগ নদের রাজাবাড়ি ঘাটসংলগ্ন নদ থেকে তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

তাহসিফ সাউরির স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর বয়সে তার চেয়ে ছোট তবে বন্ধুস্থানীয় আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ নামে একজন বাসার নিচে এসে তাহসিফকে ডাকেন। তাহসিফ তার মাকে জানান, দ্বীপের সঙ্গে কথা বলে বাসায় ফিরে আসবেন। তবে বাসার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তাহসিফ মোটরসাইকেল নিয়ে বাসা থেকে বের হচ্ছেন। দ্বীপ ছিলেন আলাদা মোটরসাইকেলে।

রাতে ছেলের বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় মা একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে পাননি। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে মায়ের মোবাইল ফোনে একটি বার্তা আসে। তাতে বলা হয়, ‘মা, আসছি’। কিন্তু তিনি আর ফেরেননি।

তবে তাহসিফের এক নিকটাত্মীয় দাবি করেছেন, সবশেষ পাঠানো ভয়েজ মেসেজটি তার কাছে তাহসিফের বলে মনে হয়নি। তাহসিফের বাবা বলেছেন, ভয়েজ মেসেজটি শুনে ছেলেকে ব্যস্ত মনে হয়েছিল তার।

যার ডাকে বাসা থেকে বের হয়েছেন, তাহসিফের বন্ধুস্থানীয় সেই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাহসিফের মোটরসাইকেল মেরামতের জন্য গ্যারেজে যান তারা। সেখান থেকে উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খান। এরপর দুজন নিজ নিজ মোটরসাইকেলে ফিরছিলেন। উত্তরা হাউস বিল্ডিং এলাকা পর্যন্ত একসঙ্গে ছিলেন তিনি।

দ্বীপ জানান, রাত আনুমানিক ১২টার দিকে দুজন আলাদা হয়ে যান। এরপর তিনি নিজ বাসায় ফেরেন। তাহসিফের বিষয়ে আর কিছু জানেন না।

উল্লেখ্য, দ্বীপ একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। তার বাসা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এলাকায়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত