যশোরের কেশবপুরে একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্যালোমেশিনের পানি জমে তৈরি হওয়া গর্ত থেকে একই সঙ্গে এই দুটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পাজিয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণডাঙ্গা এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। তবে কয়েক দিন আগের মৃত্যু হওয়ায় মরদেহগুলো পচে অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। নিহত পুরুষের মরদেহের শরীরে গামছা পেঁচানো এবং নারীর পরনে ম্যাক্সি ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় বা বিস্তারিত পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় লোকজনের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও অন্যজন নারী। ঠিক কী কারণে বা কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে বেশ কিছুদিন আগে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
যশোরের কেশবপুরে একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্যালোমেশিনের পানি জমে তৈরি হওয়া গর্ত থেকে একই সঙ্গে এই দুটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পাজিয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণডাঙ্গা এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। তবে কয়েক দিন আগের মৃত্যু হওয়ায় মরদেহগুলো পচে অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল। নিহত পুরুষের মরদেহের শরীরে গামছা পেঁচানো এবং নারীর পরনে ম্যাক্সি ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় বা বিস্তারিত পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় লোকজনের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। নিহতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও অন্যজন নারী। ঠিক কী কারণে বা কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে বেশ কিছুদিন আগে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি আরও জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন