প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে যশোরের একমাত্র বিশেষায়িত হৃদরোগ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ‘যশোর করোনারি কেয়ার ইউনিট’ (সিসিইউ) পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার কাজ। দীর্ঘ দুই দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠানটির জন্য ২৪টি নতুন পদে অর্থ বরাদ্দের আনুষ্ঠানিক সম্মতি প্রদান করেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপ-সচিব শুক্লা সরকার স্বাক্ষরিত এক স্মারকপত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের হাতে গড়া এই প্রতিষ্ঠানটি তারই সুযোগ্য পুত্র, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের হাত ধরে পূর্ণতা পাওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
২৪টি পদে অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, যশোরে পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট স্থাপনে আরেক ধাপ অগ্রগতি। আল্লাহর রহমতে আগামী বছর জুনের আগেই পূর্ণাঙ্গ সেবা চালুর প্রস্তুতি চলছে।’
মঞ্জুরীকৃত মোট ২৪টি পদের মধ্যে ১৫টি স্থায়ী ক্যাডার পদ এবং বাকি ৯টি পদ বছর বছর সংরক্ষণের ভিত্তিতে রাখা হয়েছে। স্থায়ী ১৫টি পদের মধ্যে রয়েছে–একজন করে সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া), সহকারী রেজিস্ট্রার, অ্যানেসথেটিস্ট, দুজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি) এবং আটজন মেডিকেল অফিসার।
এ ছাড়া বাকি ৯টি পদের মধ্যে রয়েছে–একটি নার্সিং সুপারভাইজার, দুজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব), একজন করে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি), ফার্মাসিস্ট (ডিপ্লোমা), কম্পিউটার অপারেটর, স্টোরকিপার, ফার্মেসি সহকারী এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের উদ্যোগে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমে যশোরের এই হৃদরোগ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। সে সময় ভবন নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয়ের কাজ শেষ হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ দুই দশকেও চালু করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে এটি চালুর পথ সুগম হলো।
প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়াত বলেন, 'প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় করোনারি কেয়ার ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। আশা করছি, আগামী তিন মাসের মধ্যে যন্ত্রপাতি বসানোর কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য কার্যক্রমও শুরু হয়ে গেছে।'

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে যশোরের একমাত্র বিশেষায়িত হৃদরোগ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ‘যশোর করোনারি কেয়ার ইউনিট’ (সিসিইউ) পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার কাজ। দীর্ঘ দুই দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠানটির জন্য ২৪টি নতুন পদে অর্থ বরাদ্দের আনুষ্ঠানিক সম্মতি প্রদান করেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপ-সচিব শুক্লা সরকার স্বাক্ষরিত এক স্মারকপত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের হাতে গড়া এই প্রতিষ্ঠানটি তারই সুযোগ্য পুত্র, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের হাত ধরে পূর্ণতা পাওয়ার পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
২৪টি পদে অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, যশোরে পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট স্থাপনে আরেক ধাপ অগ্রগতি। আল্লাহর রহমতে আগামী বছর জুনের আগেই পূর্ণাঙ্গ সেবা চালুর প্রস্তুতি চলছে।’
মঞ্জুরীকৃত মোট ২৪টি পদের মধ্যে ১৫টি স্থায়ী ক্যাডার পদ এবং বাকি ৯টি পদ বছর বছর সংরক্ষণের ভিত্তিতে রাখা হয়েছে। স্থায়ী ১৫টি পদের মধ্যে রয়েছে–একজন করে সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি), সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া), সহকারী রেজিস্ট্রার, অ্যানেসথেটিস্ট, দুজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি) এবং আটজন মেডিকেল অফিসার।
এ ছাড়া বাকি ৯টি পদের মধ্যে রয়েছে–একটি নার্সিং সুপারভাইজার, দুজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব), একজন করে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি), ফার্মাসিস্ট (ডিপ্লোমা), কম্পিউটার অপারেটর, স্টোরকিপার, ফার্মেসি সহকারী এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের উদ্যোগে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাধ্যমে যশোরের এই হৃদরোগ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। সে সময় ভবন নির্মাণ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয়ের কাজ শেষ হলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ দুই দশকেও চালু করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে এটি চালুর পথ সুগম হলো।
প্রকল্পের বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন সাফায়াত বলেন, 'প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় করোনারি কেয়ার ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। আশা করছি, আগামী তিন মাসের মধ্যে যন্ত্রপাতি বসানোর কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য কার্যক্রমও শুরু হয়ে গেছে।'

আপনার মতামত লিখুন