বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় কুলসুম বেগম (৪৮) নামের এক গৃহবধূ গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। অন্যদিকে চিতলমারী উপজেলায় বাড়ির পাশের বাগান থেকে মেনি বেগম (৭৫) নামের এক নিখোঁজ বৃদ্ধার পচনধরা গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোড়েলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ গ্রামে স্বামী বাবুল আকনের সঙ্গে থাকতেন কুলসুম বেগম। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে স্বামীকে ঘুমে রেখে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। রাতে স্বামী ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখে ডাক- চিৎকার দেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পঞ্চকরণ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ নাসিরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তবে তার আত্মহত্যার সঠিক কারণ জানা যায়নি। এ ঘটনায় মোড়েলগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
অপরদিকে, চিতলমারী উপজেলার নালুয়া গ্রামের প্রয়াত সোলাইমান ফকিরের স্ত্রী বৃদ্ধা মেনি বেগম গত ২০ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশের বাগান থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তার ছোট মেয়ে ময়না বেগম সেখানে যান এবং মায়ের গলিত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার দেন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দিলে চিতলমারী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের সুরতহাল শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনাতেও চিতলমারী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় কুলসুম বেগম (৪৮) নামের এক গৃহবধূ গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। অন্যদিকে চিতলমারী উপজেলায় বাড়ির পাশের বাগান থেকে মেনি বেগম (৭৫) নামের এক নিখোঁজ বৃদ্ধার পচনধরা গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোড়েলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ গ্রামে স্বামী বাবুল আকনের সঙ্গে থাকতেন কুলসুম বেগম। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে স্বামীকে ঘুমে রেখে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। রাতে স্বামী ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখে ডাক- চিৎকার দেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পঞ্চকরণ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ নাসিরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তবে তার আত্মহত্যার সঠিক কারণ জানা যায়নি। এ ঘটনায় মোড়েলগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
অপরদিকে, চিতলমারী উপজেলার নালুয়া গ্রামের প্রয়াত সোলাইমান ফকিরের স্ত্রী বৃদ্ধা মেনি বেগম গত ২০ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশের বাগান থেকে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তার ছোট মেয়ে ময়না বেগম সেখানে যান এবং মায়ের গলিত মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার দেন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দিলে চিতলমারী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের সুরতহাল শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনাতেও চিতলমারী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন