পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে বন উজাড় ও খাদ্যাভাবের কারণে লোকালয়ে বন্যপ্রাণীর বিচরণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত ১ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এক মাসে শ্রীমঙ্গলের বসতবাড়ি, চা-বাগান ও সড়কসংলগ্ন এলাকা থেকে ১৫টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।
উদ্ধারকৃত প্রাণীর মধ্যে রয়েছে অজগর, বিষধর পদ্মা গোখরা, শঙ্খিনী, দাঁড়াশ, ফণিমনসা, বেত আঁচড়া ও মুখপোড়া হনুমান। ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, আগের মাস সেপ্টেম্বরে ২৭টি এবং আগস্টে অন্তত ১৭টি সাপসহ বেশ কিছু বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়েছিল।
পরিবেশকর্মীরা জানিয়েছেন, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও আশপাশের বনাঞ্চলে বসতি সম্প্রসারণ, রিসোর্ট নির্মাণ এবং বন উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ও খাদ্যসংকট তীব্র হচ্ছে। এতে বাধ্য হয়ে প্রাণীগুলো লোকালয়ে চলে আসছে, যা মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে সংঘাত বাড়াচ্ছে।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল জানান, লোকালয়ে কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে তা না মেরে ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ বা ফাউন্ডেশনকে খবর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কেবল প্রাণী উদ্ধার নয়, বন্যপ্রাণীর জীবন রক্ষায় প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণ ও পরিকল্পিত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গলে বন উজাড় ও খাদ্যাভাবের কারণে লোকালয়ে বন্যপ্রাণীর বিচরণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত ১ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এক মাসে শ্রীমঙ্গলের বসতবাড়ি, চা-বাগান ও সড়কসংলগ্ন এলাকা থেকে ১৫টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।
উদ্ধারকৃত প্রাণীর মধ্যে রয়েছে অজগর, বিষধর পদ্মা গোখরা, শঙ্খিনী, দাঁড়াশ, ফণিমনসা, বেত আঁচড়া ও মুখপোড়া হনুমান। ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, আগের মাস সেপ্টেম্বরে ২৭টি এবং আগস্টে অন্তত ১৭টি সাপসহ বেশ কিছু বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়েছিল।
পরিবেশকর্মীরা জানিয়েছেন, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও আশপাশের বনাঞ্চলে বসতি সম্প্রসারণ, রিসোর্ট নির্মাণ এবং বন উজাড়ের ফলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ও খাদ্যসংকট তীব্র হচ্ছে। এতে বাধ্য হয়ে প্রাণীগুলো লোকালয়ে চলে আসছে, যা মানুষ ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে সংঘাত বাড়াচ্ছে।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল জানান, লোকালয়ে কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে তা না মেরে ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ বা ফাউন্ডেশনকে খবর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কেবল প্রাণী উদ্ধার নয়, বন্যপ্রাণীর জীবন রক্ষায় প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণ ও পরিকল্পিত উন্নয়ন এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন