দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য মো. তিতাস শেখ (২৮)। কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ি মানবপাচারকারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের পর ফরিদপুরের নগরকান্দায় নিজ গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অভিযানকালে তিতাস শেখের বুকের বাঁ পাশে গুলি লাগে। প্রথমে তাকে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতাল ও পরবর্তীতে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে তিনি মারা যান। তিতাস শেখ সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য হিসেবে টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
মাত্র চার বছরের বিবাহিত জীবনে স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার এবং গর্ভধারিণী মা রেখা বেগমের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে নগরকান্দার লস্করদিয়া ইউনিয়নের বাতাস। বীর এই সেনাসদস্যের মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা।
নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন নিহতের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। হেলিপ্যাডে সেনাসদস্যের মরদেহ আনা এবং পরিবারের কাছে পৌঁছানোর বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সেনাবাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য মো. তিতাস শেখ (২৮)। কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়ি মানবপাচারকারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের পর ফরিদপুরের নগরকান্দায় নিজ গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে টেকনাফে যৌথ বাহিনীর অভিযানকালে তিতাস শেখের বুকের বাঁ পাশে গুলি লাগে। প্রথমে তাকে লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতাল ও পরবর্তীতে রামু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে তিনি মারা যান। তিতাস শেখ সেনাবাহিনীর ১ বীর ইউনিটের সদস্য হিসেবে টেকনাফের রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।
মাত্র চার বছরের বিবাহিত জীবনে স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার এবং গর্ভধারিণী মা রেখা বেগমের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে নগরকান্দার লস্করদিয়া ইউনিয়নের বাতাস। বীর এই সেনাসদস্যের মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে বাড়িতে ভিড় করছেন স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা।
নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন নিহতের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। হেলিপ্যাডে সেনাসদস্যের মরদেহ আনা এবং পরিবারের কাছে পৌঁছানোর বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সেনাবাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে।

আপনার মতামত লিখুন