বিভাগীয় শহর রংপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তেলের জন্য নগরজুড়ে একধরনের হাহাকার তৈরি হয়েছে। নগরীর ৪০টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র দু-একটিতে তেল পাওয়া গেলেও সেখানে শত শত মোটরসাইকেল ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। ৫-৬ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার ( ১৫ এপ্রিল) নগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ পাম্পে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলছে। নগরীর শাপলা চত্বরে অবস্থিত ইউনিক ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের প্রায় আধা কিলোমিটার দীর্ঘ সারি। একই অবস্থা প্রাইভেট কারসহ অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রেও। পাম্পের কর্মীরা জানান, ডিপো থেকে তেলবাহী ট্যাংক লরি আসার অপেক্ষায় আছেন তারা।
এরই মধ্যে বুধবার শাপলা চত্বরের ইউনিক ট্রেডার্সে গিয়ে দেখা যায়, মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা তেল নিতে আসা চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করছেন। কাগজপত্র না থাকা এবং হেলমেট না পরার দায়ে অনেককে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বিভাগীয় শহর রংপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তেলের জন্য নগরজুড়ে একধরনের হাহাকার তৈরি হয়েছে। নগরীর ৪০টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র দু-একটিতে তেল পাওয়া গেলেও সেখানে শত শত মোটরসাইকেল ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। ৫-৬ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার ( ১৫ এপ্রিল) নগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ পাম্পে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলছে। নগরীর শাপলা চত্বরে অবস্থিত ইউনিক ট্রেডার্স ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের প্রায় আধা কিলোমিটার দীর্ঘ সারি। একই অবস্থা প্রাইভেট কারসহ অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রেও। পাম্পের কর্মীরা জানান, ডিপো থেকে তেলবাহী ট্যাংক লরি আসার অপেক্ষায় আছেন তারা।
এরই মধ্যে বুধবার শাপলা চত্বরের ইউনিক ট্রেডার্সে গিয়ে দেখা যায়, মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা তেল নিতে আসা চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করছেন। কাগজপত্র না থাকা এবং হেলমেট না পরার দায়ে অনেককে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন