শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া নিয়মের বাইরে কোনো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চলতে পারবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
তিনি
জানিয়েছেন, দেশের সকল ইংলিশ মিডিয়াম
স্কুলকে সরকারি নীতিমালা ও রেগুলেশন বোর্ডের
অধীনে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রীয় নিয়মের ঊর্ধ্বে নয় এবং সবাইকে
জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হবে।
বুধবার
দুপুরে সিলেটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার
কেন্দ্র সচিবদের সাথে আয়োজিত এক
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। সিলেট শিক্ষাবোর্ডের উদ্যোগে নগরীর জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে এই সভা অনুষ্ঠিত
হয়।
শিক্ষাব্যবস্থার
মান উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে
গিয়ে মন্ত্রী বলেন, সিলেট যেন শুধু রেমিট্যান্স
বা ডলারে নয়, শিক্ষাতেও দেশসেরা
হয়। তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী
সিলেটিদের সহায়তা নিয়ে ‘সিলেট এডুকেশন ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করার ওপর
জোর দেন এবং এতে
স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা
প্রত্যাশা করেন।
পরীক্ষায়
'ডিজিটাল নকল' নিয়ে উদ্বেগ
প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,
শিক্ষকরা ঠিকমতো না পড়ালে বা
মানসম্মত শিক্ষার অভাব থাকলে ছাত্রছাত্রীরা
নকলের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
বর্তমানে নকল ব্যক্তি পর্যায়
ছাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক হয়ে উঠছে। এই
সংকট মোকাবিলায় ‘নকল’ শব্দটির সংজ্ঞা
পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে
ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারকারী ও এর পেছনের
সব পক্ষকে আইনের আওতায় আনা যায়।
তিনি
জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রের স্বচ্ছতা রক্ষায় সারাদেশে পর্যায়ক্রমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।
শিক্ষকদের
প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে
যাতে তারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে
পরীক্ষা দেয়। খাতা মূল্যায়নে
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘র্যান্ডম স্যাম্পলিং’ পদ্ধতি চালু করা হবে,
যাতে কেউ খাতা বর্গা
দিয়ে বা দায়সারাভাবে মূল্যায়ন
করতে না পারে।
শিক্ষকদের
অবসর ভাতার সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত
সরকারের আমলে সাত হাজার
কোটি টাকা আত্মসাতের ফলে
বাজেটে কিছুটা টানাপোড়েন চলছে, তবে সরকার সমস্যা
সমাধানে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও প্রবাসী
কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদ
সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেটের
জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম ও শাহজালাল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম
সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতারা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া নিয়মের বাইরে কোনো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল চলতে পারবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
তিনি
জানিয়েছেন, দেশের সকল ইংলিশ মিডিয়াম
স্কুলকে সরকারি নীতিমালা ও রেগুলেশন বোর্ডের
অধীনে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই রাষ্ট্রীয় নিয়মের ঊর্ধ্বে নয় এবং সবাইকে
জবাবদিহিতার আওতায় আসতে হবে।
বুধবার
দুপুরে সিলেটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার
কেন্দ্র সচিবদের সাথে আয়োজিত এক
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। সিলেট শিক্ষাবোর্ডের উদ্যোগে নগরীর জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে এই সভা অনুষ্ঠিত
হয়।
শিক্ষাব্যবস্থার
মান উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে
গিয়ে মন্ত্রী বলেন, সিলেট যেন শুধু রেমিট্যান্স
বা ডলারে নয়, শিক্ষাতেও দেশসেরা
হয়। তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী
সিলেটিদের সহায়তা নিয়ে ‘সিলেট এডুকেশন ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করার ওপর
জোর দেন এবং এতে
স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা
প্রত্যাশা করেন।
পরীক্ষায়
'ডিজিটাল নকল' নিয়ে উদ্বেগ
প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,
শিক্ষকরা ঠিকমতো না পড়ালে বা
মানসম্মত শিক্ষার অভাব থাকলে ছাত্রছাত্রীরা
নকলের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
বর্তমানে নকল ব্যক্তি পর্যায়
ছাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক হয়ে উঠছে। এই
সংকট মোকাবিলায় ‘নকল’ শব্দটির সংজ্ঞা
পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে
ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহারকারী ও এর পেছনের
সব পক্ষকে আইনের আওতায় আনা যায়।
তিনি
জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রের স্বচ্ছতা রক্ষায় সারাদেশে পর্যায়ক্রমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।
শিক্ষকদের
প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে
যাতে তারা আত্মবিশ্বাস নিয়ে
পরীক্ষা দেয়। খাতা মূল্যায়নে
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘র্যান্ডম স্যাম্পলিং’ পদ্ধতি চালু করা হবে,
যাতে কেউ খাতা বর্গা
দিয়ে বা দায়সারাভাবে মূল্যায়ন
করতে না পারে।
শিক্ষকদের
অবসর ভাতার সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত
সরকারের আমলে সাত হাজার
কোটি টাকা আত্মসাতের ফলে
বাজেটে কিছুটা টানাপোড়েন চলছে, তবে সরকার সমস্যা
সমাধানে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও প্রবাসী
কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদ
সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেটের
জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম ও শাহজালাল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম
সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন